শ্যামা চালের পায়েসের রেসিপিপায়েস তো অনেক খেয়েছেন। কখনও খেয়েছেন শ্যামা চালের পায়েস? খাননি তো? তাহলে পুজোয় বানিয়ে ফেলুন শ্যামা চালের গুড়ের পায়েস। খেতে দারুণ। একবার খেলে বাড়ির লোক আপনার রান্নার প্রশংসা করতে বাধ্য। অষ্টমীতে সাধারণ পায়েস না করে শ্যামা চালের গুড়ের পায়েস বানিয়ে ফেলুন। রেসিপিও খুব সহজ।
গুড়ের শ্যামা চালের পায়েস তৈরির উপকরণ
শ্যামাচাল চাল: প্রয়োজনমতো
নারকেল কোরা: প্রয়োজনমতো
কাজুবাদাম
ফুল ফ্যাট দুধ
গুড়
এলাচ গুঁড়ো
কুচোনো কাজুবাদাম ও আমন্ড
কীভাবে তৈরি করবেন পায়েস?
প্রথমে শ্যামা চাল ভাল করে তিন-চার বার জলে ধুয়ে নিন। এরপর চাল ও কাজুবাদাম আলাদা পাত্রে পরিষ্কার জল বা দুধে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। নির্দিষ্ট সময় পর জল বা দুধ ঝরিয়ে নিন। এবার ভেজানো কাজুবাদাম, শুকনো নারকেল কোরা এবং সামান্য দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে মিক্সারে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। পেস্ট মসৃণ না হলে সামান্য জল দিয়ে আরও এক বার ব্লেন্ড করে নিতে পারেন।
এবার কড়াইয়ে দুধ গরম করুন। দুধ গরম হয়ে এলে তৈরি করা পেস্টটি ধীরে ধীরে তার মধ্যে মিশিয়ে দিন। আঁচ কম থেকে মাঝারি রেখে ১৫-২০ মিনিট রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন, যাতে কড়াইয়ের তলায় দুধ লেগে না যায়। শ্যামা চাল পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে গেলে এবং ঘন ও ক্রিমের মতো হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এরপর গুড়ের গুঁড়ো ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
উপর থেকে কুচোনো কাজুবাদাম ও আমন্ড ছড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। গরম বা ঠান্ডা, দুভাবেই খেতে পারেন এই পায়েস।
পায়েস রান্নায় যা যা খেয়াল রাখবেন
ফুল ফ্যাট দুধ ব্যবহার করুন: পায়েস আরও ঘন করতে ফুল ক্রিম দুধ ব্যবহার করাই ভাল। পাশাপাশি দুধ যাতে তলায় লেগে না যায়, তার জন্য কড়াই ব্যবহার করুন।
বার বার নাড়তে ভুলবেন না: দুধের মধ্যে শ্যামা চাল দেওয়ার পর নাড়তে থাকুন। চাল সম্পূর্ণ নরম হওয়া এবং দুধ ঘন হয়ে আসা পর্যন্ত রান্না করুন।
আঁচ কম রাখুন: কম আঁচে দুধ জ্বাল দিন। কড়াইয়ের গায়ে জমে থাকা সর খুন্তি দিয়ে তুলে আবার দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। তবে পায়েস খুব বেশি ঘন করবেন না। ঠান্ডা হলে এটি আরও ঘন হয়ে যাবে।
ফুটন্ত দুধে সরাসরি গুড় দেবেন না: গুড় সরাসরি ফুটন্ত দুধে মেশালে দুধ ফেটে যেতে পারে। তাই রান্না শেষ হলে গ্যাস বন্ধ করে মেশান গুড়।