
সাইক্লিং (Cycling): শরীর ফিট রাখার অন্যতম মজাদার উপায় হলো সাইকেল চালানো। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সাইকেল চালিয়ে আপনি নিজেকে ফিট রাখতে পারেন। তেজ গতিতে সাইক্লিং করলে প্রতি মিনিটে ১২ থেকে ১৬ ক্যালোরি পর্যন্ত ক্ষয় হয়।

বার্পিজ (Burpees): পুরো শরীরের ব্যায়াম হিসেবে বার্পিজকে সেরা ধরা হয়। এটি মাংসপেশিকে সুগঠিত করার পাশাপাশি হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দ্রুত ক্যালোরি পোড়ায়। এই ব্যায়ামে প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ১৫ ক্যালোরি বার্ন হয়।

হাই নীজ (High Knees): এই ব্যায়ামটি মূলত কোমর এবং পায়ের পেশির ওপর কাজ করে। এটি করার সময় দ্রুত পা চালালে মেটাবলিজম বাড়ে। এই তীব্র ওয়ার্কআউটটি প্রতি মিনিটে ১২ থেকে ১৫ ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে।

রানিং (Running): অতিরিক্ত মেদ কমানোর চিরন্তন ও সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো দৌড়ানো। নির্দিষ্ট গতি বজায় রেখে প্রতিদিন দৌড়লে শরীরের ফ্যাট খুব দ্রুত কমে। রানিংয়ের মাধ্যমে প্রতি মিনিটে ১১ থেকে ১৬ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরানো যায়।

মাউন্টেন ক্লাইম্বার্স (Mountain Climbers): পেটের অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ কমাতে এই ব্যায়ামের জুড়ি মেলা ভার। এটি আসলে কার্ডিও এবং স্ট্রেন্থ ট্রেনিংয়ের একটি দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। সঠিক পদ্ধতিতে এই ব্যায়াম করলে প্রতি মিনিটে প্রায় ১০ থেকে ১২ ক্যালোরি বার্ন করা সম্ভব।

জাম্পিং জ্যাক (Jumping Jacks): মেটাবলিজম বা বিপাক হারকে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িয়ে তুলতে জাম্পিং জ্যাকের বিকল্প নেই। বাড়ির যেকোনো জায়গাতেই এটি করা যায়। মাঝারি গতিতে এই কার্ডিও এক্সারসাইজ করলে প্রতি মিনিটে ৮ থেকে ১২ ক্যালোরি খরচ হয়।

সুইমিং (Swimming): গাঁটের ব্যথার ভয় ছাড়াই ওজন কমানোর সেরা উপায় হলো সাঁতার। জলের বাধা অতিক্রম করতে শরীরে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। জোরে সাঁতার কাটলে প্রতি মিনিটে ১০ থেকে ১৩ ক্যালোরি পর্যন্ত পোড়ানো সম্ভব।

সঠিক সংমিশ্রণ: মনে রাখবেন, শুধু ঘাম ঝরানোই যথেষ্ট নয়। শরীরচর্চার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে। আজই আপনার রুটিনে এই ব্যায়ামগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন এবং তফাতটা নিজের চোখেই দেখুন।