ফার্টিলিটি বৃদ্ধি করার খাবারইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্বের সমস্যা এখন বাড়ছে। নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এমনটা হওয়ার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাঁদের মতে, দ্রুত গতির জীবনে স্ট্রেস বাড়ছে। ঘুম ঠিক ঠাক হচ্ছে না। পাশাপাশি নেশা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই সব কারণেই মানুষের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তবে এই সবের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার না খাওয়াও যে বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ, সেটাও জানালেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'গতিময় জীবনে ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড বেশি খাওয়া হচ্ছে। তাই এই সব খাবারের থেকে দূরে থাকতে হবে। তার বদলে খেতে হবে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার। সঠিক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খেলেই সুস্থ থাকতে পারবেন।'
তাই আর সময় নষ্ট না করে এই পুষ্টিবিদের থেকে এমন ৫ খাবার সম্পর্কে জেনে নিন, যেগুলি ফার্টিলিটি বৃদ্ধি করবে।
শাক পাতা মাস্ট
প্রথমেই শাক পাতা রাখুন ডায়েটে। পালং শাক, লাল শাক, নোটে শাক, মেথি শাক ও বেতো শাক খান। এগুলিতে উপস্থিত থাকে ফোলিক অ্যাসিড ও আয়রন যা Ovulation-এ সাহায্য করে। যার ফলে ফার্টিলিটি বাড়ে বলে জানালেন এই পুষ্টিবিদ।
ডিম চলুক
এই পুষ্টিবিদের মতে, আমাদের ডায়েটের আদর্শ প্রোটিন হল ডিম। এটিতে প্রোটিন ছাড়াও রয়েছে কোলিন ও ভিটামিন B12। যেগুলি ভালো মানের ডিম্বাণু ও শুক্রাণু গঠন করে। সেই সঙ্গে রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন গঠনেও সাহায্য করে।
আমন্ড রাখতেই হবে
আমন্ড ও ওয়ালনাটের মধ্যে রয়েছে হেলদি ফ্যাট। এতে রয়েছে ভিটামিন ই। এই সব ভিটামিন ওভারি ও টেস্টিসের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে বলে জানালেন এই পুষ্টিবিদ।
মাছ খান
রুই ও কাতলা মাছ যা বাঙালির ডায়েটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মধ্যে আছে EPA ও DHA নামক ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং সেলেনিয়াম, যা প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করে, ক্ষত কমায় এবং ঋতুচক্র সঠিক রাখে বলে জানালেন এই ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়।
ডাল চলুক
ডায়েটে থাকুক ডাল। যেমন ধরুন মুগ, মসুর, চানা, রাজমা ইত্যাদি। এগুলির মধ্যে উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সঙ্গে জিঙ্ক রয়েছে। এগুলি প্রজনন হরমোন ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোনের সাম্যতা বজায় রাখে। সঠিক ওজন রক্ষায় সহায়ক। তাই নিয়মিত এই সব খাবার খান। পাশাপাশি ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিড, মাস্টার্ড অয়েল ও অলিভ অয়েল এগুলো খাদ্যে উপকারী ভূমিকা পালন করে বলে জানালেন ঈশানি।
বিদ্র: এই প্রতিবেদটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।