
Ayurvedic Alternatives of Chyawanprash: চ্যবনপ্রাশের দারুণ আয়ুর্বেদিক গুরুত্ব রয়েছে। তবে ব্যস্তবহুল জীবনে অনেকেই এটি খেতে পারেন না। চ্যবনপ্রাশকে ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ বলে মনে করা হয়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষত শীতকালে এটি খাওয়া খুবই উপকারী।
চ্যবনপ্রাশের স্বাদ টক-মিষ্টি এবং মশলাযুক্ত। আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে যে 'চ্যবন' ঋষির নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। আমলকী, নিম, তিল, অশ্বগন্ধা, সাদা চন্দন, তুলসী, এলাচ, অর্জুন, ব্রাহ্মী, জাফরান, ঘি এবং মধু ইত্যাদি মিশিয়ে চ্যবনপ্রাশ তৈরি করা হয়।
পুষ্টিবিদরা মনে করছেন যে, বর্তমানে মানুষ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ার চেয়ে, বাজারজাত জিনিস খেতে বেশি পছন্দ করে। চ্যবনপ্রাশের এই উপাদান সরাসরি খেলে বেশি উপকার পাবেন। আপনি যদি চান, চ্যবনপ্রাশ তৈরিতে যা লাগে, এমন কিছু জিনিস আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
আমলকী
আমলকী পুষ্টির পাওয়ার হাউস। এটি চ্যবনপ্রাশের প্রধান উপাদান। আমলা ভিটামিন সি-র অন্যতম সেরা উৎস। এটি প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ১০০ গ্রাম আমলকীতে প্রায় ৭০০ গ্রাম ভিটামিন সি থাকে। শীতকালে এর ব্যবহার খুবই উপকারী হবে।
তিল
শীতকালে তিলের বীজ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। ২৮ গ্রাম তিলের বীজে ১৬০ ক্যালোরি, ৫ গ্রাম প্রোটিন, ৩.৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। এতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, কপার, আয়রন, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন ই ভাল পরিমাণে থাকে। যা, শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকার উন্নতিতে সাহায্য করে।
তুলসী
তুলসী ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ। এটি একটি প্রাকৃতিক ইমিউনিটি বুস্টার যা সংক্রমণ কমায়। এতে উপস্থিত প্রচুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য নানাভাবে উপকারী।
নিম
নিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরকে বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে মুক্ত রাখে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ম্যালেরিয়া, ভাইরাল ফ্লু, ডেঙ্গু এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করতেও এটি খুবই উপকারী।