Seasonal Change Health Tips: সিজন চেঞ্জে জ্বর, সর্দি, কাশি থেকে কীভাবে বাঁচবেন ডায়াবেটিকরা? টিপস দিলেন নামী ডাক্তার

ডায়াবেটিস একটি জটিল অসুখ। আর এই রোগে আক্রান্তদের এখন সাবধানে থাকতে হবে। নইলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না। বিশেষত, এই সময় জ্বর, সর্দি ও কাশি হতে পারে। 

Advertisement
সিজন চেঞ্জে জ্বর, সর্দি, কাশি থেকে কীভাবে বাঁচবেন ডায়াবেটিকরা? টিপস দিলেন নামী ডাক্তারসিজন চেঞ্জে সুস্থ থাকার টিপস
হাইলাইটস
  • ডায়াবেটিস একটি জটিল অসুখ
  • এই রোগে আক্রান্তদের এখন সাবধানে থাকতে হবে
  • শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না

(লিখছেন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা: আশিস মিত্র)

ডায়াবেটিস একটি জটিল অসুখ। আর এই রোগে আক্রান্তদের এখন সাবধানে থাকতে হবে। নইলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না। বিশেষত, এই সময় জ্বর, সর্দি ও কাশি হতে পারে। 

এখন প্রশ্ন হল, কেন ডায়াবেটিস রোগীদের অন্যদের থেকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি? এর উত্তরে বলি, মধুমেহ রোগীদের ইমিউনিটি সাধারণত কম থাকে। বিশেষত, অনিয়ন্ত্রিত সুগারে বিপদ থাকে বেশি। তাঁদের খুব সহজেই ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া বিপদে ফেলে। তাই সাবধান হওয়া ছাড়া সত্যিই গতি নেই।

কেন এই সময়ই হচ্ছে?
আসলে বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। বসন্তের শুরু থেকেই গরম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদায় নিচ্ছে ঠান্ডা। আর এমন পরিস্থিতিতেই একাধিক ভাইরাসের দাপট বাড়ছে। এমনকী ঊর্ধ্বমুখী দূষণও। আর মূলত এই দুই কারণেই জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই সাবধান হন। 

এখন প্রশ্ন হল, এই ধরনের পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে? 
১. সবার প্রথমে আপনাকে ইমিউনিটি বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে খাওয়া শুরু করুন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ শাক, সবজি এবং ফল। এছাড়া ডায়েটে রাখতে হবে যে কোনও ধরনের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। ভাল হয় ডিম, মাছ ও মাংস খেলে। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। দেখবেন বেড়ে যাবে ইমিউনিটি। 
২. দূষণ যখন বাড়বে, তখন বাইরে বেরবেন না। চেষ্টা করুন ঘরের ভিতরে থাকার। 
৩. এই সময় বাইরে বেরলে অবশ্যই মাস্ক পরুন। এছাড়া কোনও ভিড় জায়গায় গেলেও মাস্ক পরতে হবে। 
৪. সুগার নিয়ন্ত্রণ করুন। সেটা কন্ট্রোলে থাকলেই রোগবিরেত দূরে থাকবে।
৫. প্রতিবছর নিয়ম করে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন নিন। পাশাপাশি নিতে হবে নিউমোনিয়া টিকা। তাতেই বিপদ এড়াতে পারবেন। জটিলতা থাকবে না। 

সমস্যা হলে কী করবেন? 
সেক্ষেত্রে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন ধরুন, সবার প্রথমে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শাক, সবজি এবং ফল খেতে হবে। পাশাপাশি মাছ, মাংস বা ডিম খান। আর নিরামিষ খেলে পনির, সোয়াবিন এবং টোফু খেতে হবে। তাহলেই পুষ্টি পাবে শরীর। আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন। 

Advertisement

এছাড়া ওষুধের মধ্যে খেতে পারেন প্যারাসিটামল। এটি জ্বর কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া অ্যালার্জি কমাতে অ্যান্টিঅ্যালার্জিক ওষুধ খাওয়া চলে। তবে এর বেশি কোনও ওষুধ নয়। এমনকী চলবে না অ্যান্টিবায়োটিক। আশা করছি, তাতেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন। 

আর পরিশেষ বলি, জ্বর যদি রোজ রোজ বাড়তে থাকে, শরীর যদি খুব খারাপ লাগে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফেলে রাখবেন না। 

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র শিক্ষার উদ্দেশে লেখা হয়েছে। আমাদের তরফে এই তথ্যকে নিশ্চিত বলে জানান হচ্ছে না।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement