Food Allergy Treatment: খাবার খেয়েই ব়্যাশ, চুলকানি হলে কী করবেন? ফুড অ্যালার্জি নিয়ে টিপস ডাক্তারের

অনেক সময় খাবার খাওয়ার পর কিছু মানুষের শরীরে অ্যালার্জি হয়। তাঁদের গা, হাত, পা চুলকাতে শুরু করে। ব়্যাশ বেরয়। এমনকী কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয় শ্বাসকষ্ট। এখন প্রশ্ন হল, এই ধরনের সমস্যা হলে কী করবেন? আজকের নিবন্ধে সেই উত্তরটাই দেব।

Advertisement
খাবার খেয়েই ব়্যাশ, চুলকানি হলে কী করবেন? ফুড অ্যালার্জি নিয়ে টিপস ডাক্তারেরফুড অ্যালার্জির চিকিৎসা
হাইলাইটস
  • অনেক সময় খাবার খাওয়ার পর কিছু মানুষের শরীরে অ্যালার্জি হয়
  • তাঁদের গা, হাত, পা চুলকাতে শুরু করে
  • এই ধরনের সমস্যা হলে কী করবেন?

(লিখছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল)

বাঙালি মানেই খাদ্যরসিক। যে কোনও ধরনের খাবার টেস্ট করার ব্যাপারে আমাদের জুড়ি মেলা ভার। তাতেই আমাদের মন থাকে খুশ। 

যদিও অনেক সময় খাবার খাওয়ার পর কিছু মানুষের শরীরে অ্যালার্জি হয়। তাঁদের গা, হাত, পা চুলকাতে শুরু করে। ব়্যাশ বেরয়। এমনকী কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয় শ্বাসকষ্ট। এখন প্রশ্ন হল, এই ধরনের সমস্যা হলে কী করবেন? আজকের নিবন্ধে সেই উত্তরটাই দেব।

ফুড অ্যালার্জি কী? 
সহজে বললে, কিছু মানুষের শরীরের নির্দিষ্ট কিছু কোষ বেশি সক্রিয় থাকে। কিছু খাবার খেলেই এই সব কোষগুলি রিয়্যাকশন শুরু করে দেয়। তখন এই সব কোষ থেকে বেশ কিছু রাসায়নিক বেরতে থাকে। যার ফলে শরীরে একাধিক উপসর্গ ফুটে ওঠে। এটাকেই বলা হয় ফুড অ্যালার্জি। 

কী কী লক্ষণ দেখা যায়? 
১. ত্বকে ব়্যাশ বেরতে পারে
২. চুলকানি হতে পারে
৩. শরীরের একাধিক অংশ লাল হয়ে যেতে পারে
৪. জিভ ফুলে যেতে পারে
৫. চোখ দিয়ে বেরতে পারে জল
৬. গলা বন্ধ লাগতে পারে
৭. শ্বাসকষ্ট হতে পারে

তাই এই ধরনের লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হতে হবে। নইলে বিপদ আরও বাড়বে বই কমবে না। 

ফুড অ্যালার্জি হলে কী করবেন? 
সাধারণ ব়্যাশ ও চুলকানি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই সমস্যায় অ্যান্টিঅ্যালার্জিক ওষুধ খেতে পারেন। এই ধরনের ওষুধ খেলেই সমস্যা মিটে যাবে। তবে এরপরও যদি সমস্যা না কমে, তাহলে সাবধান হন। দ্রুত চিকিৎসক বা নিকটবর্তী হাসপাতালের কাছে যান। 

শ্বাসকষ্ট হলেই সাবধান
শ্বাসকষ্ট শুরু হলে আর অপেক্ষা করা যাবে না। বরং দ্রুত একবারে হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে সমস্যার কথা বলুন। 

এই প্রসঙ্গে বলি, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার আগে চোখ দিয়ে জল গড়ায়, জিভ ভারী হয়ে আসে, জিভ ফুলে যায় ও গলা বন্ধ হয়ে যায়। তাই এমন লক্ষণ দেখলেই হাসপাতালে দৌড়ান। এই সময় হাসপাতালে গেলে তাঁরা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করবে। এমনকী দিতে পারবে অক্সিজেন সাপোর্ট। তাই সেটাই বেশি জরুরি। 

Advertisement

বিপদ এড়াবেন কীভাবে? 
এই বিপদ এড়ানো খুবই সহজ। যেই ধরনের খাবার খেলে সমস্যা হয়, সেগুলি খাবেন না। যাঁরা নতুন কোনও সামুদ্রিক খাবার খাচ্ছেন, তাঁরা ভেবে চিন্তে খাবেন। নইলে বিপদের শেষ থাকবে না। 
  
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
 

POST A COMMENT
Advertisement