Nipah Virus Fatality Rate: নিপা ভাইরাসে মৃত্যুর হার কত? জানালেন বিশিষ্ট ডাক্তার

নিপা ভাইরাস নিয়ে বিপদ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ নার্স আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। পাশাপাশি আরও ১ নার্সকে নিপা সংক্রমণ সন্দেহে বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১২০ জনকে কোয়ারিন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এখন প্রশ্ন হল, নিপা ভাইরাসের মৃত্যুহার ঠিক কতটা? আর এই বিষয়টা সম্পর্কে আমাদের বিশদে জানিয়েছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস।

Advertisement
নিপা ভাইরাসে মৃত্যুর হার কত? জানালেন বিশিষ্ট ডাক্তারনিপার মৃত্যুহার কত?
হাইলাইটস
  • এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ নার্স আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে
  • আরও ১ নার্সকে নিপা সংক্রমণ সন্দেহে বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি করা হয়েছে
  • প্রায় ১২০ জনকে কোয়ারিন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলে খবর

নিপা ভাইরাস নিয়ে বিপদ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ নার্স আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। পাশাপাশি আরও ১ নার্সকে নিপা সংক্রমণ সন্দেহে বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১২০ জনকে কোয়ারিন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। 

আর এমন পরিস্থিতিতেই অনেকে প্রশ্ন করছেন, নিপা ভাইরাসের মৃত্যুহার ঠিক কতটা? আর এই বিষয়টা সম্পর্কে আমাদের বিশদে জানিয়েছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'অনেকেই করোনার সঙ্গে এই ভাইরাসের তুলনা করছেন। তবে এর মৃত্যুহার অনেকটাই বেশি। এই ভাইরাসে আক্রান্তের মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ। আর এটাই ভয়ের বিষয়।'

কেন মৃত্যুহার এতটা বেশি?
এই প্রসঙ্গে ডাঃ বিশ্বাস বলেন, 'এই ভাইরাসে আক্রান্ত একটা বড় অংশের রোগীর এনসেফালাইটিস হয়। এটি হল মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত সমস্যা। আর এনসেফালাইটিসের জন্য অধিকাংশ মৃত্যু হয়।'

সাধারণ লক্ষণ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত
এই ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সাধারণ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেমন ধরুন- জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যথা, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি। 

তারপর অনেকের বিভ্রান্তি ও খিঁচুনি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা করা জরুরি। নইলে রোগীর হাল বিগড়ে যেতে পারে। 

চিকিৎসা কী রয়েছে? 
এই অসুখের তেমন একটা চিকিৎসা নেই বলেই মনে জানালেন ডাঃ বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'নিপা হলে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা করতে হবে। অর্থাৎ জ্বর হলে জ্বরের চিকিৎসা, খিঁচুনি হলে তার চিকিৎসা দেওয়া এ সব। এভাবেই বহু রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।'

পাশাপাশি তিনি জানিয়ে রাখেন যে, অনেক রোগীর শরীরের হাল অনেকটাই বিগড়ে যায়। তখন প্রয়োজনে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হতে পারে। এর মাধ্যমেই রোগীর সেরে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ে। 

রোগ প্রতিরোধ করতে হবে
১. বাদুড়ের থেকে দূরত্ব রাখতে হবে
২. ফলে কোনও কামড়ের দাগ থাকলে খাবেন না
৩. খেজুরের রস এড়িয়ে যেতে হবে
৪. মাস্ক পরুন
৫. শূকরের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন

ব্যাস, এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই বিপদ এড়াতে হবে।

Advertisement

পরিশেষে...

ডাঃ বিশ্বাস আশ্বস্ত করে বলেন, 'নিপার সঙ্গে করোনার বিরাট তফাত রয়েছে। এটা করোনার মতো দ্রুত গতিতে ছড়াতে পারে না। বাতাসে অনেক ক্ষণ ভেসে থাকার ক্ষমতাও নিপার নেই। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হন।'

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

 

POST A COMMENT
Advertisement