Late Period Remedies: নিয়মিত অনিয়ম হচ্ছে পিরিয়ডে? এই এক গ্লাস পানীয়তেই লুকিয়ে সমাধান

Menstruations: চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ২৮ থেকে ৩৫ দিনের ব্যবধানে পিরিয়ড হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ইদানীং কাজের চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব আর মানসিক উদ্বেগের কারণে বহু নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডের দিনক্ষণ গুলিয়ে যায়।

Advertisement
নিয়মিত অনিয়ম হচ্ছে পিরিয়ডে? এই এক গ্লাস পানীয়তেই লুকিয়ে সমাধানপ্রতীকী ছবি

পিরিয়ড বা ঋতুচক্র কেবল সন্তান ধারণ বা ফার্টিলিটির সঙ্গেই জড়িত নয়, এটি নারীদের সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতার অন্যতম প্রধান নির্দেশক। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ২৮ থেকে ৩৫ দিনের ব্যবধানে পিরিয়ড হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ইদানীং কাজের চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব আর মানসিক উদ্বেগের কারণে বহু নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডের দিনক্ষণ গুলিয়ে যায়।

প্রতি মাসেই কি পিরিয়ডের তারিখ পিছোচ্ছে? কিংবা মাসের পর মাস ধরে এই অনিয়ম লেগেই রয়েছে? চিকিৎসকরা বলছেন, বিষযটিকে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। হরমোনের তারতম্য, থাইরয়েড কিংবা পিসিওএস (PCOS)-এর মতো সমস্যার কারণে এমনটা হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে পিরিয়ডকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে রান্নাঘরেরই এক বিশেষ ঘরোয়া টোটকা অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে।

হলুদ-আদার দুধের জাদুকরী ভূমিকা

আয়ুর্বেদ ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান- উভয় শাস্ত্রেই হলুদ এবং আদাকে অত্যন্ত গুণকারী ভেষজ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই দুই উপাদানেরই  প্রবৃত্তি গরম।

রক্ত সঞ্চালনে উন্নতি: হলুদ ও আদা শরীরের ভেতরের উষ্ণতা বাড়াতে এবং রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পেলভিক রিজিয়ন বা তলপেটের অংশে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়, যা জরায়ুর পেশিগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে আটকে থাকা পিরিয়ড স্বাভাবিক নিয়মে শুরু হতে সুবিধা হয়।

ব্যথা ও কামড়ানি থেকে মুক্তি: হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' এবং আদার প্রদাহনাশক উপাদান পিরিয়ডকালীন পেটে মোচড় দেওয়া ব্যথা বা শারীরিক অস্বস্তি দূর করতে দারুণ কাজ করে। পাশাপাশি এটি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও পরোক্ষভাবে সাহায্য করে।

কীভাবে তৈরি করবেন এই পানীয়?

বানানো একবারে সহজ। রইল বানানোর সঠিক নিয়ম:

১. এক গ্লাস ফোটানো দুধে এক-চতুর্থাংশ (১/৪) চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মেশান। গুঁড়ো হলুদের বদলে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে পারলে আরও ভাল।

২. এর মধ্যে আধ ইঞ্চি মতো টাটকা আদা ভালো করে ছেঁচে বা কুচিয়ে দিয়ে দিন।

Advertisement

৩. মিশ্রণটি কম আঁচে ভাল করে ফুটিয়ে নিন।

৪. ফুটানো শেষে দুধ ছেঁকে নিয়ে হালকা ইষদুষ্ণ অবস্থায় দিনে অন্তত একবার পান করুন।

জরুরি সতর্কতা:

ঘরোয়া টোটকা কিছুটা স্বস্তি দিলেও এটি কিন্তু মূল চিকিৎসার বিকল্প নয়। যদি পিরিয়ড টানা ২-৩ মাসের বেশি অনিয়মিত থাকে বা অত্যধিক দেরি হয়, তবে কেবল ঘরোয়া উপায়ে ভরসা না রেখে অবিলম্বেই কোনো স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। থাইরয়েড বা সিস্টের মতো কোনো জটিলতা লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমেই স্পষ্ট হওয়া সম্ভব।

 

POST A COMMENT
Advertisement