Mango Side Effects: আম কার্যত 'বিষ', এই সমস্যা থাকলে ভুলেও খাবেন না Mango

গরম মানেই আম। কিন্তু এই ফল সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষদের একেবারেই আম খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। হজমের গোলমাল এমনকি অ্যালার্জির ঝুঁকিও রয়েছে।

Advertisement
আম কার্যত 'বিষ', এই সমস্যা থাকলে ভুলেও খাবেন না Mangoকাদের একেবারেই আম খাওয়া উচিত নয়?
হাইলাইটস
  • ছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষদের একেবারেই আম খাওয়া উচিত নয়।
  • অতিরিক্ত আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
  • ‘ফলের রাজা’ হলেও, কিছু মানুষের কাছে আম কার্যত ‘বিষ’ হয়ে উঠতে পারে।

গরম মানেই আম। কিন্তু এই ফল সবার শরীরের জন্য সমান উপকারী নয়। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষদের একেবারেই আম খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। হজমের গোলমাল এমনকি অ্যালার্জির ঝুঁকিও রয়েছে। তাই ‘ফলের রাজা’ হলেও, কিছু মানুষের কাছে আম কার্যত ‘বিষ’ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবিটিসে আক্রান্তদের আম খাওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। আমে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। যদিও সীমিত পরিমাণে খেলে সমস্যা নাও হতে পারে, তবে অতিরিক্ত আম রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

যাঁদের ওজন দ্রুত বাড়ছে বা স্থূলতার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আম খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আমে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বেশি খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগা অনেকের ক্ষেত্রেও আম বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের ‘ল্যাটেক্স অ্যালার্জি’ বা কিছু নির্দিষ্ট ফলের প্রতি সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে আম খেলে চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠোঁট ফুলে যাওয়া বা ত্বকে জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অনেকের আবার আম খাওয়ার পরে অম্বল বা অ্যাসিডিটির সমস্যাও বাড়ে। বিশেষ করে খালি পেটে বা অতিরিক্ত পরিমাণে আম খেলে বুকজ্বালা, পেটফাঁপা বা হজমের গোলমাল হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

তবে চিকিৎসকদের বক্তব্য, সম্পূর্ণ ভাবে আম এড়িয়ে চলার প্রয়োজন সবার নেই। পরিমাণ বুঝে খেলে এবং শরীরের অবস্থা অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় রাখলে আম উপকারীও হতে পারে। বিশেষ করে আমে থাকা ভিটামিন A, C, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের জন্য উপকারী বলেই মনে করা হয়।

কিন্তু সমস্যা হল, অনেকেই একসঙ্গে একাধিক আম খেয়ে ফেলেন। কখনও আমের শরবত, কখনও ম্যাঙ্গো শেক; ফলে শরীরে অতিরিক্ত চিনি ঢুকে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, দিনে অল্প পরিমাণ আম খাওয়াই নিরাপদ। বিশেষ করে ডায়াবিটিস, কিডনির সমস্যা বা গুরুতর অ্যালার্জি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই আম খাওয়া উচিত। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement