প্রতীকী ছবি প্রোটিন শরীরের সমস্ত কোষে পাওয়া যায়। এটি শরীরের সকল কোষ, পেশী ইত্যাদি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোটিন ত্বক, চুল এবং হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের দৈনিক ক্যালোরির প্রায় ১০-৩৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে আসে। একজন ব্যক্তির প্রতিদিন প্রতি কিলোগ্রাম শরীরের ওজনের জন্য ০.৮ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত।
মাংস, মাছ এবং ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে সমস্যা হয় নিরামিষভোজীদের ক্ষেত্রে। জানুন কোন কোন খাবার আমিষ না হওয়া সত্ত্বেও প্রোটিনের ভাল উৎস হিসাবে বিবেচিত। অর্থাৎ এই খাবারগুলি ডায়েটে রাখলে নিরামিষভোজীদের প্রোটিনের কোনও ঘাটতি হবে না?
ডাল ভারতীয় খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডালে উপস্থিত প্রোটিন ও পুষ্টি উপাদান শরীরের জন্য উপকারী। এক কাপ সেদ্ধ মসুর ডালে প্রায় ১৭.৮৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি সহজে প্রস্তুত করা যায় এবং এটি রোজকার ডায়েটে রাখা যায়।
ছোলাও একপ্রকার ডাল। এটি বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া যায়। তরকারি, স্যুপ, সবজি ইত্যাদি তৈরি করে ছোলার স্বাদ উপভোগ করতে পারেন। ভাজা ছোলা সকালে বা বিকালে খাওয়া যায়। এক কাপ সেদ্ধ ছোলাতে ১৪.৫৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
মুগ ডালে প্রোটিন, আয়রন, ফাইবার এবং আরও অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই অঙ্কুরিত করে খেতে পছন্দ করেন। মুগের স্যালাড, খিচুড়ি ও ডাল ইত্যাদি যে কোনও উপায়ে তৈরি করে খাওয়া যায়। এক কাপ সিদ্ধ মুগে ১৪.১৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
মটরশুঁটিতে উপস্থিত পটাশিয়াম, ফাইবার এবং আয়রন শরীরের জন্য উপকারী। সাধারণত মটরশুঁটি দিয়ে সবজি তৈরি করা হয়। এক কাপ সিদ্ধ মটরশুঁটিতে ১১.৫৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
কিনোয়া গ্লুটেন মুক্ত। কিনোয়া কোনও ঘাসে জন্মায় না। এজন্য একে সিউডোসিরিয়াল বলা হয়। বিভিন্নভাবে কিনোয়া বানানো যায়। রকমারি সবজি দিয়ে বানালে, এর পুষ্টিগুণ আরও বাড়ে।