দিনে খালি তিন বেলা ভারী খাবার খাচ্ছেন?এখনও অনেকেই দিনে মাত্র তিনবার খাবার খান। সকালে করেন ব্রেকফাস্ট। দুপুরে করেন লাঞ্চ। আর রাতে ডিনার। ব্যাস, তাঁদের দিনের খাবার শেষ। মাঝে কোনও টিফিন করেন না।
যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে এটা একবারেই ভাল অভ্যাস নয়। দিনে শুধু ৩ বার খেলে হবে না। বরং তিনটি বড় মিলের পাশাপাশি ৩টি ছোট মিলও খেতে হবে। নইলে শরীরের হাল হতে পারে খারাপ।
এখন আপনি জিজ্ঞেস করতেই পারেন, এর জন্য কী কী সমস্যা হতে পারে? আর সেই উত্তরটা জানতে পড়ুন।
গ্যাস, অ্যাসিডিটির ফাঁদ
আসলে অনেক ক্ষণ খাবার না খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি হতে পারে। এক্ষেত্রে পেটে অ্যাসিডের বেশি ক্ষরণ হয়। পাশাপাশি অন্ত্রে তৈরি হয় গ্যাস। আর সেই কারণেই তিনটি বড় মিল খেতে বারণ করেন চিকিৎসক। তাতেই সুস্থ থাকতে পারবেন।
মাথা ব্যথার আশঙ্কা
দিনে তিনবার মিল খেলে মাথা ব্যথাও হতে পারে। বিশেষত, মাইগ্রেনের সমস্যা যাঁদের রয়েছে, তাঁদের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে বেশি। সুতরাং সাবধান হন। চেষ্টা করুন এই ভুলটা না করার। মাঝে মধ্যে টিফিন করুন। তাহলেই মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
বেশি খাওয়া হতে পারে
যাঁরা তিনবার খান, তাঁরা অনেক ক্ষণ বাদে বাদে পেটে কিছু দেন। যার ফলে তাঁদের খিদে থাকে অনেকটাই বেশি। এই কারণে তাঁরা বেশি খাবার খেয়ে ফেলতে পারেন। যার ফলে বাড়তে পারে ওজন। সুতরাং সাবধান হন।
বিপাকের হার বিগড়ে যেতে পারে
তিনবার করে খাবার খেলে বিপাকের হার কমে যায়। যার ফলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিপাকের হার ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত খাবার খান। যখনই সময় পাবেন, তখনই খাবেন।
স্টমাক আলসারের কারণ
অনেক ক্ষণ পরে পরে খাবার খেলে বিপদ। এই কারণে অ্যাসিড ক্ষরণ বাড়তে পারে। যার ফলে স্টমাক আলসারের আশঙ্কা রয়েছে। সুতরাং সাবধান হন। নিয়মিত খাবার খান।
কী করবেন তাহলে?
এমন পরিস্থিতিতে আপনাকে তিনটি বড় মিলের পাশাপাশি একাধিক ছোট মিল নিতে হবে। নিয়ম করে টিফিন করুন। পাশাপাশি ফল খান। তাহলেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।