গ্রিন টিগ্রিন টি খুব স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এই চা দারুণ কার্যকরী। এতে ক্যাটেচিন নামক বিশেষ যৌগ থাকে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই যৌগগুলো মেটাবলিজম বাড়ায়, হজমশক্তি উন্নত করে এবং মনকে সক্রিয় রাখে।
যখন মেটাবলিজম ভাল থাকে, তখন ওজন কমানো সহজ হয়। গ্রিন টি-তে অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন এবং পটাশিয়ামও থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগায়। কিন্তু আপনি কি জানেন যে সঠিক সময়ে গ্রিন টি পান করলে এর উপকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়, আর ভুল সময়ে পান করলে তা ক্ষতিকর হতে পারে?
গ্রিন টি খাওয়ার সেরা সময়
স্বাস্থ্যের দিক থেকে দেখতে গেলে, গ্রিন টি পান করার সেরা সময় হল সকালে বা ব্যায়ামের আগে। সকালে কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করলে, দিনের একটি দুর্দান্ত শুরু হতে পারে। এতে অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন এবং এল-থিয়ানিন থাকে, যা মেজাজ ভাল করতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আপনার লক্ষ্য যদি ওজন কমানো বা চর্বি ঝরানো হয়, তবে ব্যায়ামের আগে গ্রিন টি পান করা উপকারী হবে। গবেষণা থেকে জানা যায় যে এটি ব্যায়ামের সময় চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
কখন গ্রিন টি পান করা এড়িয়ে চলবেন?
খাওয়ার পরে গ্রিন টি পান করা উচিত নয়। গ্রিন টি-তে থাকা কিছু যৌগ খাবারের খনিজ পদার্থের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায়, যা শরীরকে আয়রন, তামা এবং ক্রোমিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ শোষণ করতে বাধা দেয়। ঘুমানোর আগে গ্রিন টি পান করাও ক্ষতিকর হতে পারে। এর ক্যাফেইন উপাদান অনিদ্রা এবং উদ্বেগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্থিরতার কারণ হতে পারে। তাই, সঠিক সময়ে এবং পরিমিত পরিমাণে গ্রিন টি পান করাই আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভাল।
গ্রিন টি তৈরির সময় এই বিষয়গুলো মনে রাখবেন
গ্রিন টি তৈরির সময় খেয়াল রাখবেন জল যেন খুব বেশি গরম বা খুব বেশি ঠান্ডা না হয়। গ্রিন টি ২ থেকে ৩ মিনিটের বেশি সময় ধরে ভিজিয়ে রাখবেন না। এর চেয়ে কম সময় ভিজিয়ে রাখলে স্বাদ বের হবে না এবং বেশি সময় ভিজিয়ে রাখলে চা তেতো হয়ে যাবে। স্বাদ বাড়ানোর জন্য আপনি পুদিনা পাতা, সামান্য লেবুর রস বা এক চা চামচ মধু যোগ করতে পারেন।