আপেল সাইডার ভিনেগার (প্রতীকী ছবি)Apple Cider Vinegar: আপেল যত বেশি উপকারী, তত বেশি উপকারী আপেল সাইডার ভিনেগার। আজকাল একটু বেশি খাওয়া দাওয়া হলেই মানুষ হজমের সমস্য়ায় ভোগেন। এক্ষেত্রে রামবাণ আপেল সাইডার ভিনেগার। প্রত্যেক ব্যক্তিকে খাবার হজম করতে বিলম্ব ও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আপেল ভিনেগারে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আপেল সিডার ভিনেগার সেবন করলে বদহজমের সমস্যা সমূলে বিনাশ হয়।
এই ভিনিগারের বিশেষ উপকারিতা
১. ওজন কমাতে কাজ করে
ওজন কমাতে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিনিগার খেতে পারেন। কিছু দিনের মধ্যেই পার্থক্য দেখতে পাবেন।
২. পেশীর ব্যথা উপশম করে
অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কারণে পেশীতে ব্যথা হলে ভিনিগার ব্যবহার করে পেশী ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
৩. গলা ব্যথা কমায়
গলা ব্যথায় এক কাপ গরম জলে এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিয়ে গার্গল করুন। আপনার গলা ব্যাথা চলে যাবে।
৪.হেঁচকি ওঠা বন্ধ করতে কার্যকরী এই ভিনিগার
যদি আপনার ঘন ঘন হেঁচকি হয়, তাহলে এক চামচ ভিনিগার খান। হেঁচকি কিছুক্ষণের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যাবে।
৫. চমৎকার কন্ডিশনার
কন্ডিশনার হিসেবে এই ভিনিগার ব্যবহার করা যেতে পারে। এক কাপ জলে আধা চা চামচ ভিনিগার মিশিয়ে তা দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করলে আপনার চুল উজ্জ্বল এবং চকচকে হয়ে উঠবে।
তবে এক্ষেত্রে সাবধান থাকুন (Apple Cider Vinegar Side Effects):
এটি সরাসরি গ্লাসে জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে গিয়ে দাঁত ভঙ্গুর হয়ে পড়তে পারে। তাই স্ট্র দিয়ে অ্যাপেল সিডার খেতে পারেন।
অতিরিক্ত পরিমাণেও খাবেন না, এতে শরীরের পটাশিয়াম লেভেল কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পাশাপাশি ডায়রিয়া, বদহজম এবং হাড়ের ক্ষতি হতে পারে।