Asha Bhosle Favorite Food: খেতে ও খাওয়াতে ভালোবাসতেন আশা, এই ৩ খাবার ছিল গায়িকার পছন্দের

৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে। তাঁর এই মৃত্যু সঙ্গীত জগতে শোকের আবহ সৃষ্টি করেছে। আশাজির গাওয়া গানগুলি আজও সমানভাবে জনপ্রিয়। গান গাওয়ার পাশাপাশি আশা ভোঁসলে রান্না করতেও ভীষণ ভালোবাসতেন।

Advertisement
খেতে ও খাওয়াতে ভালোবাসতেন আশা, এই ৩ খাবার ছিল গায়িকার পছন্দের আশা ভোঁসলে
হাইলাইটস
  • আশা ভোঁসলের রান্না করার শখ বহু পুরনো।

৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে। তাঁর এই মৃত্যু সঙ্গীত জগতে শোকের আবহ সৃষ্টি করেছে। আশাজির গাওয়া গানগুলি আজও সমানভাবে জনপ্রিয়। গান গাওয়ার পাশাপাশি আশা ভোঁসলে রান্না করতেও ভীষণ ভালোবাসতেন। এটা শুধু তাঁর শখই ছিল না, পরবর্তীকালে তিনি রেস্তোরাঁ ব্যবসাতেও পা রেখেছিলেন। তবে এটা হঠাৎ করে ঘটেনি। বরং রান্নার প্রতি তাঁর ভালোবাসা গায়িকাকে এই ব্যবসা শুরু করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। 

রান্নার শখ কোথা থেকে এল
আশা ভোঁসলের রান্না করার শখ বহু পুরনো। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন বাবার নাটকের দলের সঙ্গে ঘুরতেন। আশা ভোঁসলে জানান যে তাঁর শৈশব খুব সুন্দর ছিল। তিনি তাঁর বাবার সঙ্গে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরতেন। আশাজি বলেন, নাটকের গ্রুপের সকলে একসঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করতেন। রান্নাঘরের মধ্যে বড় বড় পাত্রে খাবার রাখা থাকত আর আমার সেখানে ঘুরে বেড়াতে খুব ভাল লাগত। তবে সবচেয়ে খুশি পেতাম যাঁরা খাবার খেতেন তাঁদের মুখের দিকে চেয়ে। তাঁরা সুস্বাদু খাবার উপভোগ করতেন। এখান থেকেই আমার রান্নার প্রতি ঝোঁক বাড়ে। 

পছন্দের খাবার
সঙ্গীত জগতে তাঁর অসামান্য সফলতার পরও তিনি রান্না করার শখকে ভোলেননি। নিজের রান্নাঘরেই তাঁর এই শখকে সীমাবদ্ধ করে রাখেননি, বরং গোটা বিশ্বে আশা ভোঁসলে তাঁর রেস্তোরাঁ ব্যবসা শুরু করেন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে পেশোয়ারি মা কি ডাল গায়িকার বিশেষভাবে পছন্দ। এছাড়াও বরণ ভাত, সোল কারির মতো পদও ভীষণ পছন্দ ছিল তাঁর। আশা ভোঁসলে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, বিশ্বজুড়ে তাঁর বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। ২০০২ সালে তিনি দুবাইয়ের ওয়াফি মলে তাঁর প্রথম ভারতীয় রেস্তোরাঁ ‘আশা’স’ খোলেন। এরপর থেকে তিনি ব্যবসাটি আরও প্রসারিত করেছেন। হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজও ব্রিটেনের বার্মিংহামে অবস্থিত তার মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁটি পরিদর্শন করেছিলেন। দুবাই ছাড়াও কুয়েতে তাদের পাঁচটি, দোহা, কাতার, বাহরাইন, আবুধাবি, লন্ডন ও ম্যানচেস্টারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে একটি করে এবং বার্মিংহামে দুটি আশা রেস্তোরাঁ রয়েছে। 

Advertisement

কীভাবে রাঁধুনি হওয়ার শখ জাগলো
আশা ভোঁসলে রান্না শিখেছিলেন তাঁর বন্ধু, সহকর্মী ও বিশ্বের একাধিক দেশে ভ্রমণের সময়। গায়িকা একবার বলেছিলেন, তিনি মোমো বানানো শিখেছিলেন অভিনেত্রী মালা সিনহার থেকে। তিনি আরও জানান যে, তিনি গীতিকার মাজরুহ সুলতানপুরীর স্ত্রীর কাছ থেকে লখনউয়ের রান্না শিখেছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন, বাংলা আমার শ্বশুরবাড়ির জায়গা হয়ে গিয়েছিল, তাই আমি সেখানকার রান্নাও শিখেছিলাম। আশাজির রান্নার হাত এতটাই ভাল ছিল যে সেই খবর পুরো ইন্ডাস্ট্রি জানত। প্রতি সপ্তাহে গায়িকার বাড়িতে ৬০-৭০ জন আসতেন আর তিনি একটা বড় হাঁড়িতে রান্না করতেন।  

POST A COMMENT
Advertisement