Weight Loss Tips: আজকের ব্যস্ত জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়েট ও তৈলাক্ত খাবারের অভ্যাস— সব মিলিয়ে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা ক্রমশ জাঁকিয়ে বসছে ভারতীয়দের এক বড় অংশের মধ্যে। শরীরের বাড়তি মেদ যেমন অস্বস্তিকর, তেমনই একাধিক শারীরিক সমস্যারও অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে পেটের চর্বি বাড়লে তা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট করে না, লুকিয়ে থাকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো বড় রোগের সম্ভাবনাও।
তবে ওজন কমাতে গিয়ে শুধু ওয়ার্কআউট করলেই চলবে না। নজর দিতে হবে ডায়েটেও। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ সব ফলই যে ওজন কমায়, তা নয়। কিছু কিছু ফলে চিনির মাত্রা এতটাই বেশি যে তা ওজন কমানোর বদলে উল্টে বাড়িয়ে দেয়।
বেশি চিনি মানেই বিপদ
অনেকেই মনে করেন, ফল মানেই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু বাস্তব হল, কিছু ফল— বিশেষত আম ও আনারস— অতিরিক্ত খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন কিংবা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই ফল দু’টি হতে পারে বিপদের কারণ।
আম: স্বাদের রাজা, চিনির দিক থেকেও এগিয়ে
গরমে আম না খেলে চলে না! ম্যাঙ্গো শেক থেকে কাঁচা-ফোড়ানো আম। সবেতেই বাঙালির আলাদা টান। কিন্তু এই সুস্বাদু ফলে প্রাকৃতিক চিনির মাত্রা অনেক বেশি। বিশেষ করে ম্যাঙ্গো শেকের মতো ড্রিঙ্কে দুধ ও চিনি মেশানোর কারণে ক্যালোরির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। নিয়মিত বা অতিরিক্ত খেলে বাড়তে পারে ওজন, বেড়ে যেতে পারে রক্তে শর্করার পরিমাণও।
আনারস: টক-মিষ্টির ফাঁদে ফেলে
আনারসের রসালো ও মিষ্টি স্বাদে অনেকে পেট ভরান। কিন্তু এই ফলেও প্রাকৃতিক চিনি ও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স উঁচু। যার ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় খুব দ্রুত। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বা ওবেসিটি (স্থূলতা)-তে ভোগা ব্যক্তিদের তাই এটি খাওয়ার সময় সতর্ক হওয়া দরকার।
কী করলে পেটের মেদ কমবে?
চিনি ও কার্বোহাইড্রেট কমান খাবার থেকে
বেশি করে খান ফাইবার ও প্রোটিন
খাবারের আগে জল খাওয়ার অভ্যাস করুন
অ্যালকোহল ও ফাস্ট ফুড বাদ দিন
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করুন