প্রতীকী ছবি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর ত্বক পেতে সবসময় দামি পণ্যের প্রয়োজন হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের রান্নাঘরে থাকা উপাদানগুলোই ত্বকের জন্য যথেষ্ট। কলা এমনই একটি ফল, যা ত্বক এবং শরীর উভয়ের জন্যই উপকারী বলে মনে করা হয়। আপনি যদি শুষ্কতা, নিস্তেজ ভাব, কালো দাগ বা বলিরেখার মতো ত্বকের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে কলার ফেস মাস্ক হতে পারে একটি সহজ এবং প্রাকৃতিক সমাধান। জেনে নিন, কীভাবে কলার ফেস মাস্ক তৈরি করতে হয় এবং কীভাবে এটি মুখে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়, যাতে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
কলার ফেস মাস্ক কেন এত বিশেষ?
কলায় থাকা ভিটামিন এ ত্বকের শুষ্কতা কমায়, আর ভিটামিন সি ত্বককে উজ্জ্বল করতে এবং কালো দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। কলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং বলিরেখা ও সূক্ষ্ম রেখার মতো বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। কলার প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং গুণও রয়েছে যা ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
এই ফেস মাস্কটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এর জন্য কোনও দামি উপাদানের প্রয়োজন হয় না। ব্যবহৃত সমস্ত উপাদান আপনার রান্নাঘরেই সহজে পাওয়া যায়।
কলার ফেস মাস্ক তৈরির উপকরণ
১টি পাকা কলা
১ চা চামচ মধু
১ চা চামচ লেবুর রস বা দুধ
ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী যা যোগ করবেন
যদি মুখে বলিরেখা থাকে, তবে ১ চা চামচ দই যোগ করুন। যদি কালো দাগ নিয়ে চিন্তিত হন, তবে ১ চা চামচ হলুদ বা অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়, তবে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল যোগ করুন।
কীভাবে কলার ফেস মাস্ক তৈরি করবেন?
একটি কলা খোসা ছাড়িয়ে একটি পরিষ্কার বাটিতে ভাল করে চটকে নিন। ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী মধু এবং অন্যান্য উপাদান যোগ করুন এবং ভালভাবে মেশান। সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করার পর, আঙুল বা ব্রাশের সাহায্যে মাস্কটি মুখে ও গলায় লাগান।
মাস্কটি প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য মুখে রাখুন। তারপর, হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। সবশেষে, একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার বা অ্যালোভেরা জেল লাগান। সেরা ফলের জন্য, সপ্তাহে অন্তত দু'বার এই ফেস মাস্কটি ব্যবহার করা ভাল।