scorecardresearch
 

Curd Side Effects: টক দই খেলেও বাড়তে পারে ওজন, আর কী কী সমস্যা হতে পারে?

দই খাওয়া সাধারণভাবে খুবই উপকারী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো অনেক উপাদান থাকে। পাশাপাশি ত্বকের জন্য খুবভাল বলে মনে করা হয়। এই সব উপকারিতা ছাড়া দই খাওয়ার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। প্রতিদিন দই খাওয়ার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Curd Side Effects) সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। তবে প্রতিদিন দই খাওয়া উচিত নয়।

Advertisement
দই, দই, দই দই, দই, দই

দই খাওয়া সাধারণভাবে খুবই উপকারী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো অনেক উপাদান থাকে। পাশাপাশি ত্বকের জন্য খুবভাল বলে মনে করা হয়। এই সব উপকারিতা ছাড়া দই খাওয়ার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। প্রতিদিন দই খাওয়ার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Curd Side Effects) সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। তবে প্রতিদিন দই খাওয়া উচিত নয়।

প্রতিদিন দই খাওয়ার অপকারিতা (Disadvantages of eating curd daily)
হজমশক্তি দুর্বল হলে প্রতিদিন দই খাওয়া উচিত নয়। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ না করলে, দই খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন যে আপনি যখন প্রতিদিন এক কাপের বেশি দই খান, তখন এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আপনি যদি এক কাপ দই খান তবে তা আপনার ক্ষতি হবে না।

অতিরিক্ত দই খাওয়ার অপকারিতা
পেট ফাঁপা-
দইয়ে ল্যাকটোজ পাওয়া যায়। যাদের ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার সমস্যা রয়েছে তাদের সমস্যা হতে পারে। ল্যাকটোজ হল একটি দুধের চিনি, যা শরীরে উপস্থিত ল্যাকটেজ এনজাইমের সাহায্যে পরিপাক হয়। শরীরে ল্যাকটেজ এনজাইমের ঘাটতি হলে ল্যাকটোজ সহজে হজম হতে পারে না এবং শরীরে ফুলে যাওয়া ও গ্যাসের সমস্যা বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন

ওজন বাড়াতে পারে- দইয়ে চর্বির পরিমাণ খুব বেশি পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া আপনার ওজনও বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনি যদি বাইরে থেকে দই কেনেন, তাহলে এতে ফ্যাটের মাত্রা কতটা রয়েছে, তা দেখে নিন। ফ্যাট এবং ক্যালরিযুক্ত দইয়ের পরিবর্তে প্রোটিনযুক্ত দই খান।

হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে- দুগ্ধজাত দ্রব্য, বিশেষ করে দইতে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং উন্নত গ্লাইকেশন থাকে। এর কারণে হাড়ের ঘনত্ব কমতে শুরু করে, যার কারণে হাঁটু ব্যথার সমস্যা বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বাতের রোগীদের দই খাওয়া কমিয়ে দেওয়া উচিত। না হলে ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে।

Advertisement

আয়ুর্বেদ কী বলে?
আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে শীতের মরশুমে দই খাওয়া উচিত নয়। দইয়ের প্রভাব ঠান্ডা করা, এক্ষেত্রে এটি খেয়ে আপনাকে কাশি বা সদির সম্মুখীন হতে হতে পারে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, দই কাশির দোষ বাড়ায়। তাই এটি হাঁপানি, সাইনাস কনজেশন বা সর্দি এবং কাশির মতো স্বাসযন্ত্রের সমস্যাযুক্ত লোকদের জন্য অসুবিধার কারণ হতে পারে। এছাড়াও এটি শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দই খাওয়ার উপযুক্ত সময় হল বিকেল।

Advertisement