Dairy Products: দুধের খাবার সহ্য হচ্ছে না-নিঃশব্দে ক্ষতি করছে শরীরে, বোঝা যায় কীভাবে?

Dairy Products Replacement: যারা ওজন কমাতে চান তারা প্রায়শই দুগ্ধজাত পণ্য থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। তবে এটি কতটা সঠিক তা নির্ভর করে প্রতিটি ব্যক্তির শরীরের উপর। বরং এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যাদের দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

Advertisement
দুধের খাবার সহ্য হচ্ছে না-নিঃশব্দে ক্ষতি করছে শরীরে, বোঝা যায় কীভাবে?দুগ্ধজাত দ্রব্য থেকে এই ক্ষতিগুলি হতে পারে
হাইলাইটস
  • ডেয়ারি প্রডাক্টস ক্ষতি করছে আপনার শরীরে!
  • বুঝবেন কী করে?

Leave Dairy Products: যারা ওজন কমাতে চান তারা স্বেচ্ছায় দুধ ছেড়ে দেন। খুব কম মানুষই আছেন যারা ওজন কমানোর জন্য ডায়েটিশিয়ানের সাহায্য নেন। যদিও একজন ডায়েটিশিয়ানের নির্দেশেই ওজন কমানো বা ওজন বাড়ানো নিরাপদ বিকল্প। কারণ ডায়েটিশিয়ান আপনার ডায়েট চার্ট এমনভাবে তৈরি  করেন যাতে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব না হয়। প্রতিটি মানুষের শরীরে তার লাইফস্টাইল অনুযায়ী পুষ্টির প্রয়োজন হয়, তবেই সে সুস্থ থাকতে ও ওজন কমাতে পারে।

এখন কথা বলা যাক কোন ব্যক্তিদের  দুগ্ধজাত দ্রব্য যেমন দুধ, দই, ঘোল, পনির, লস্যি, টোফু, পনির ইত্যাদি খাওয়া উচিত নয়। যদিও দুগ্ধজাত পণ্যগুলি খুব স্বাস্থ্যকর এবং হাড় গঠন, পেশী তৈরিতে এবং ত্বকের কোষগুলিকে সুস্থ রাখতে অনেক অবদান রাখে। কিন্তু কিছু লোক আছে যাদের দুগ্ধজাত দ্রব্যের সেবন  সমস্যা বাড়ায়। কারণ তাদের শরীর এই পণ্যগুলিতে পাওয়া কিছু বৈশিষ্ট্যের প্রতি সংবেদনশীল। এখানে সেইসব লক্ষণগুলোর কথা বলা হচ্ছে, যাদের এসব সমস্যা আছে, তাদের দুগ্ধজাত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে।

  • ক্রনিক আমাশয়
  • ঘন ঘন লুজ মোশন
  • ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স
  • অনেক বেশি ব্রণ
  • ক্রমাগত ব্রণর সমস্যা
  • গ্যাস তৈরির সমস্যা

 

এই তথ্য জানা প্রয়োজনীয় 
এখানে যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে গ্যাস তৈরির সমস্যা থাকলে এবং ব্রণের সমস্যা থাকলে ঘোল খাওয়া যেতে পারে। কারণ ঘোল  খুবই হালকা এবং হজমশক্তি বাড়াতে কাজ করে। অন্য কোন সমস্যায়, আপনার ডাক্তারের পরামর্শের পরেই এটি খাওয়া উচিত।


কী বলেন ডায়েটেশিয়ানরা?
দুগ্ধজাত পণ্য সম্পর্কে ডায়েটিশিয়ানরা কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন। কাদের দুগ্ধজাত দ্রব্য গ্রহণ করা উচিত নয়, তাদের জন্য আরও কিছু মানদণ্ড রাখা হয়েছে।

  • সেই সমস্ত লোকেরা দুগ্ধজাত দ্রব্যগুলি ছেড়ে দিতে বা দূরে থাকতে পারেন, যাদের কালচারাল ফুড সিস্টেম এবং  আঞ্চলিক ফুড সিস্টেমের এটি অংশ নয়। 
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল মিল্ক  এবং ব্যবসায়িক দুগ্ধজাত পণ্য থেকে দূরে থাকতে পারেন। তবে  প্রয়োজনে যারা বাড়িতে ও গোয়ালে গরু পালন করেন তাদের থেকে  দুধ নিতে পারেন। কারণ এই ধরনের দুধ হতে পারে আরও বিশুদ্ধ ও নিরাপদ।
  • আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স সমস্যা থাকে তবে আপনাকে দুধজাত খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। তবে বাদাম দুধ এবং সয়া দুধকে বিকল্প হিসাবে নিয়ে আপনার নির্ভরতা বাড়াবেন না। 


কীভাবে ক্যালসিয়ামের অভাব মেটাবেন?
বাদাম দুধ এবং সয়া দুধের উপর আপনার নির্ভরতা না বাড়ানোর  অর্থ হল আপনি মাঝে মাঝে সেগুলি খেতে পারেন তবে প্রতিদিন সেগুলি ব্যবহার করার অভ্যাস করবেন না। এর পাশাপাশি, আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা যাতে বজায় থাকে সেদিকে সম্পূর্ণ খেয়াল রাখুন। 
এর জন্য আপনার ডায়েটিশিয়ান বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। ডাল এবং সিরিয়াল ও বিনস খান। দেশি গরুর ঘি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া যেতে পারে। ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম সরবরাহের জন্য সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যেতে পারে।

Advertisement

Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি, বিধি এবং দাবিগুলি শুধুমাত্র পরামর্শ হিসাবে নিতে হবে, আজতক বাংলা সেগুলি নিশ্চিত করে না। এই ধরনের কোনো চিকিৎসা/ঔষধ/খাদ্য এবং পরামর্শ অনুসরণ করার আগে, অনুগ্রহ করে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন। 

POST A COMMENT
Advertisement