DHR Toy Train Steam Engine Restoration: দারুণ খবর! দার্জিলিঙে জয়রাইডে যুক্ত হচ্ছে ১৯১৫ সালে ইংল্যান্ডে তৈরি হেরিটেজ ইঞ্জিন

DHR Toy Train Steam Engine Restoration: পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন। ইঞ্জিনে থাকছে কৃত্রিম ধোঁয়ার সিমুলেশন এবং আদি বাষ্পীয় ইঞ্জিনের সেই গম্ভীর শব্দ। রাতের পাহাড় মাতাতে লাগানো হয়েছে ডায়নামিক লাইটিং। সম্প্রতি তিনধারিয়া থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত সফল ট্রায়াল রান শেষ হয়েছে। মূলত পর্যটকদের জন্য ‘জয় রাইড’-এ ব্যবহার করা হবে এই হেরিটেজ ইঞ্জিনটিকে।

Advertisement
দারুণ খবর! দার্জিলিঙে জয়রাইডে যুক্ত হচ্ছে ১৯১৫ সালে ইংল্যান্ডে তৈরি হেরিটেজ ইঞ্জিনDHR Toy Train Steam Engine Restoration: দারুণ খবর! দার্জিলিঙে জয়রাইডে যুক্ত হচ্ছে ১৯১৫ সালে ইংল্যান্ডে তৈরি হেরিটেজ ইঞ্জিন

DHR Toy Train Steam Engine Restoration: ১৯১৫ সালে ইংল্যান্ডের গ্লাসগোতে তৈরি হওয়া এই ইঞ্জিনটি এক সময় পাহাড়ের চড়াই-উতরাই পথে যাত্রী ও পণ্য টানার প্রধান কারিগর ছিল। কিন্তু বয়সের ভার আর যন্ত্রাংশের অভাবে এক সময় তা অকেজো হয়ে পড়ে। রেল সূত্রের খবর, গ্লাসগোর উত্তর ব্রিটিশ লোকোমোটিভ কোম্পানির তৈরি এই ১৬ টনের বিস্ময়টিকে সচল করা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। অসমের নিউ বনগাইগাঁও এবং পাহাড়ের তিনধারিয়া ওয়ার্কশপের কর্মীদের নিপুণ দক্ষতায় প্রায় ৯৭ বছর পর ফের জেগে উঠল এই স্টিম ইঞ্জিন। বহু যন্ত্রাংশ বাজারে না মেলায় পুরনো নকশা দেখেই তৈরি করা হয়েছে নতুন পার্টস।

পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন। ইঞ্জিনে থাকছে কৃত্রিম ধোঁয়ার সিমুলেশন এবং আদি বাষ্পীয় ইঞ্জিনের সেই গম্ভীর শব্দ। রাতের পাহাড় মাতাতে লাগানো হয়েছে ডায়নামিক লাইটিং। সম্প্রতি তিনধারিয়া থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত সফল ট্রায়াল রান শেষ হয়েছে। মূলত পর্যটকদের জন্য ‘জয় রাইড’-এ ব্যবহার করা হবে এই হেরিটেজ ইঞ্জিনটিকে।

শুধু ৮০১-বি নয়, ডিএইচআর-এর ভাণ্ডারে ফিরছে আরও পুরনো সম্পদ। ১৮৮১ সালে গ্লাসগোর শার্প স্টুয়ার্ট অ্যান্ড কোম্পানির তৈরি ঐতিহাসিক ‘৭৭৭-বি’ ইঞ্জিনটিও দীর্ঘ সময় দিল্লির মিউজিয়ামে থাকার পর ফিরে এসেছে নিজের পুরনো কর্মস্থলে। ১৯১৭ সালে তিনধারিয়ায় সংস্কারের পর ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত টানা পরিষেবা দিয়েছিল এই ইঞ্জিনটি। গত বছরই সড়কপথে বেঙ্গালুরু থেকে আনা হয়েছিল এনডিএম ক্লাসের দুটি ডিজেল লোকোমোটিভও। এবার ১৪টি হেরিটেজ কামরাকেও নতুন রূপ দেওয়ার কাজে হাত দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে দার্জিলিং টয়ট্রেনের গরিমা বিশ্বজুড়ে। পাহাড়ের ধোঁয়া ওড়ানো রেলের এই ‘কামব্যাক’ পর্যটন ব্যবসায় যেমন জোয়ার আনবে, তেমনই নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে রেলের বিবর্তনের এক জীবন্ত ইতিহাস।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement