ঘরে বসেই বুঝে যাবেন ঘি আসল না নকলপ্রতিটি ভারতীয়দের ঘরেই ঘি-এর ব্যবহার রান্নাতে দেখতে পাওয়া যায়। উত্তর থেকে দক্ষিণ কিংবা পূর্ব থেকে পশ্চিম, সব রাজ্যেই ঘি-এর আলাদা আলাদা ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। শীতের মরশুমে এই ঘি খাওয়া একটু বেড়ে যায় বইকি। ডাল থেকে শুরু করে পরোটা, হালুয়া কিংবা যে কোনও মিষ্টি তৈরির ক্ষেত্রে ঘি ছাড়া তা অসম্ভব। সুপারফুড হিসাবে ধরা হয়ে থাকে ঘিকে। শরীরের জন্য এই ঘি খুবই ভাল বলে, পুষ্টিবিদরা মনে করেন। দেশি ঘি একটু দামি হয় এবং মাঝে মধ্যেই ভেজাল মেশানোর বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসে। বাজারে একাধিক ব্র্যান্ডের দেশি ঘি বিক্রি হয়, কিন্তু আসল আর নকল কোনটা তা বেশ বিভ্রান্তিকর। সেই বিভ্রান্তি দূর করবে সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যানেল ফুড ফার্মার।
আসল ঘি কীভাবে বুঝবে
রেভান্ত হিমাৎসিংকা সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি টুইট শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি ঘরোয়া পরীক্ষার মাধ্যমে খাঁটি ঘি শনাক্ত করার একটি সহজ উপায় বর্ণনা করেছেন। তিনি ব্যাখা করে বলেথে যে খাঁটি ঘি পরীক্ষার এই পদ্ধতিটি ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI)-এর অফিসিয়াল টেস্টিং বুক থেকে নেওয়া।
আয়োডিন মেশান
এই পরীক্ষার জন্য আপনাকে এক বাটি খাঁটি ঘি নিতে হবে এবং এতে আয়োডিন মেশাতে হবে। এই দুটোকে ভাল করে মিশিয়ে নিন। যখন এই দুই উপাদান ভাল করে মিশে যাবে, তখন যদি ঘি-এর রং পরিবর্তন হয়ে নীল হয়ে যায়, তাহলে সেটা নকল ঘি। আর যদি খাঁটি হয়, তাহলে ঘি-এর রং পরিবর্তন হবে না। হলুদ রং বজায় থাকলে সেটা খাঁটি ঘি।
শীতকালে খাঁটি ঘি খাওয়ার উপকারিতা
-এই সময় খাঁটি ঘি খাওয়া শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। ঘি-এর প্রকৃতি গরম হয়, যা শরীরকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে এবং ভেতর থেকে শক্তি সরবরাহ করে।
-দেশি ঘি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, সর্দি-কাশি এবং ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। এটি পাচনতন্ত্রকেও সমর্থন করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
-এই শীতের মরশুমে ঘি জয়েন্টের ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতেও সাহায্য করে। এটি ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে, প্রাকৃতিক আর্দ্রতা এবং উজ্জ্বলতা প্রদান করে। সঠিক পরিমাণে ঘি গ্রহণ মনকে ভাল রাখে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।