Benefits Of Tomatos: ক্যান্সারের ঝুঁকি তো কমায়, টমেটোর আরও গুণগুলি জানলে অবাক হবেন!

আপনি যদি কাঁচা টমেটো খেতে পছন্দ না করেন তবে এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে টমেটো খান তখন আপনি হাই-ফ্যাট ডায়েট খাবার খাওয়ার কারণে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে পারেন।

Advertisement
 ক্যান্সারের ঝুঁকি তো কমায়, টমেটোর আরও গুণগুলি জানলে অবাক হবেন! প্রতিদিন ডায়েটে রাখুন টমেটো
হাইলাইটস
  • প্রতিদিন ডায়েটে রাখুন টমেটো
  • লিভার ক্যান্সার থেকে নিরাপদ থাকবেন
  • একাধিক ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়


আপনি যদি কাঁচা টমেটো খেতে পছন্দ না করেন তবে এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে টমেটো খান তখন আপনি হাই-ফ্যাট ডায়েট খাবার খাওয়ার কারণে  লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে পারেন। 

 

 

এই গবেষণার রিপোর্টে  জানা গেছে যে বেশি পরিমাণে টমেটো খেলে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।  গবেষণাটি করা হয়েছিল ইঁদুরের ওপর। গবেষণার রিপোর্টে  বলা হয়েছিল, টমেটোতে লাইকোপিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং ক্যান্সার ধ্বংসকারী বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। টমেটোতে উপস্থিত এই সমস্ত জিনিস লিভারের প্রদাহ, ক্যান্সারের ঝুঁকি এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জিয়াং-ডং ওয়াং (Xiang-Dong Wang) বলেন, কাঁচা টমেটোর সঙ্গে টমেটো সস, কেচাপ, জুস এবং টমেটোজাত পণ্যে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন পাওয়া যায়।

 

 

তিনি আরও যোগ করেন, "গবেষণা চলাকালীন, আমরা আরও দেখতে পেয়েছি যে টমেটোর পাউডার লিভারের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"  তার মতে, কাঁচা টমেটোতে ভিটামিন-ই, ভিটামিন-সি, ফোলেট, মিনারেল, ফেনোলিক কম্পাউন্ড এবং ডায়েটারি ফাইবার পাওয়া যায়।

 

 

এই গবেষণাটি জার্নাল অফ ক্যান্সার প্রিভেনশন রিসার্চে প্রকাশিত হয়েছিল। গবেষণায় বলা হয়েছিল, ইঁদুরকে টমেটোর পাউডার খাওয়ালে শরীরে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে থাকে। গবেষণায় জড়িত ইঁদুর লিভার কার্সিনোজেন দ্বারা সংক্রামিত ছিল। এর পরে তাকে উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার দেওয়া হয়েছিল।

টমেটোতে উপস্থিত লাইকোপিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ক্যান্সার এজেন্ট, যা ফ্যাটি লিভারের রোগ, প্রদাহ এবং লিভারের ক্যান্সারের বিকাশকে প্রতিরোধ করে। শুধু তাই নয়, লাইকোপিন সমৃদ্ধ টমেটো বা এটি থেকে তৈরি প্রডাক্ট খেলে হৃদরোগ, অস্টিওপোরোসিস, ডায়াবেটিস, প্রোস্টেট, ফুসফুস, স্তন এবং কোলন ক্যান্সার সহ আরও কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।

 

 

থাকল টমেটো খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতা

Advertisement

  • সকালে জল না খেয়ে পাকা টমেটো খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
  • শিশুর শুষ্ক রোগ হলে তাকে প্রতিদিন এক গ্লাস টমেটোর রস খাওয়ালে রোগের উপশম হয়।
  • শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য টমেটো খুবই উপকারী।
  • স্থূলতা কমাতেও টমেটো ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিদিন এক থেকে দুই গ্লাস টমেটোর জুস পান করলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • বাতের রোগেও টমেটো খুবই উপকারী। প্রতিদিন টমেটোর রসে জোয়ান মিশিয়ে খেলে বাতের ব্যথায় উপশম পাওয়া যায়।
  • গর্ভাবস্থায় টমেটো খাওয়া খুবই উপকারী। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খুব ভাল।
  • পেটে কৃমি হলে সকালে খালি পেটে টমেটোর সঙ্গে কালো গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
  • কালো নুন মিশিয়ে কাঁচা টমেটো খেলে মুখে লালভাব দেখা দেয়।
  • টমেটোর পাল্প মুখে ঘষলে ত্বকের উন্নতি ঘটে।
  • নিয়মিত টমেটো খেলে ডায়াবেটিসে উপকার পাওয়া যায়। এতে দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য টমেটো ছাড়াও পেয়ারা, তরমুজ, পেঁপেতেও লাইকোপেন পাওয়া যায়। কিন্তু টমেটোর তুলনায় এসব জিনিসে লাইকোপিনের পরিমাণ কম। লাইকোপিন সমৃদ্ধ টমেটো এবং টমেটো থেকে তৈরি প্রডাক্ট যেমন টমেটো সস খাওয়ার ফলে হৃদরোগ, অস্টিওপোরোসিস, ডায়াবেটিস, ফুসফুস, স্তন এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার ইত্যাদির ঝুঁকি কমে যায়।

POST A COMMENT
Advertisement