কুকুরগ্রীষ্মকাল পোষ্য কুকুরদের জন্য খুব কষ্টকর সময়। তীব্র সূর্যালোক এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে তাদের মধ্যে অলসতা, খিদে কমা এবং অতিরিক্ত তৃষ্ণা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে তাপের সংস্পর্শে থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হতে পারে। এই সময়ে পোষ্যের খাদ্য ও পানীয়ের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি। অনেকে পোষ্য কুকুরদের দুধ খাওয়ায়। এটা কি ঠিক?
দই এবং ঘোলকে প্রাকৃতিক শীতলকারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। গ্রীষ্মকালে, যখন কুকুরদের শরীর দ্রুত গরম হয়ে যায়, তখন অল্প পরিমাণে দই বা পাতলা ঘোল তাদের শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করতে পারে।
এটি কুকুরদের স্বস্তি ও সতেজ বোধ করতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তিও কমাতে পারে। দই এবং ঘোল, বিশেষ করে বিকেলে বা সন্ধেয় ট্রিট হিসাবে দিলে, আরাম দেয়। তবে, এগুলো সর্বদা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পরিবেশন করাই সবচেয়ে ভালো, কারণ খুব ঠান্ডা বা সদ্য ফ্রিজে রাখা কোনও খাবার পরিবেশন করলে গলা বা হজমের সমস্যা হতে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
অনেকে অভ্যাসবশত বা জ্ঞানের অভাবে কুকুরকে দুধ খাওয়ান, কিন্তু এটি সবসময় সঠিক কাজ নয়। অনেক কুকুরের ল্যাকটোজ সহ্য করার ক্ষমতা কম থাকে, যার ফলে দুধ খেলে ডায়ারিয়া, গ্যাস বা পেটে ব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে।