সুগার-কোলেস্টেরলের মতোই থাইরয়েডও এখন ঘরে ঘরে। এই সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম নয়। থাইরয়েড হল আমাদের গলার সামনের দিকে অবস্থিত একটি প্রজাপতি-আকৃতির অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের মাত্রার তারতম্য হলেই বিগড়ে যায় শরীর। হরমোন বেশি নিঃসরণ হলে এক রকম সমসমযা হয়, মাত্রা কমে গেলে হয় আর এক রকম। থাইরয়েডের মাত্রা বিগড়ে গেলে কেউ যেমন স্থূলত্বের সমস্যায় ভোগেন, তেমনই কারও ওজনও কমে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে ক্লান্তি। তৈরি হতে পারে আরও নানা সমস্যা। সঠিক খাবার যেমন থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, তেমনই ভুল খাদ্যাভাস ক্ষতিও করতে পারে।
থাইরয়েড থাকলে কোন খাবারগুলি এড়িয়ে চলবেন?
বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ছোলা জাতীয় খাবার থাইরয়েডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া সর্ষে, মুলো, রাঙা আলু, চিনে বাদাম এড়িয়ে চলাই ভাল। থাইরয়েড বেড়ে গেলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, চিজ খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। চিনি, রান্না করা গাজর, পাকা কলা, শুকনো ফল, মধু, ময়দার রুটি, সাদা ভাত, মিষ্টি কার্বোহাইড্রে়টের মাত্রা বাড়ায়। থাইরয়েড থাকলে এগুলি কম খাওয়া উচিত। চা, কফি, কোল্ড ড্রিংকও যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত ফল
পাকা কলা বা অন্যান্য বেশি চিনিযুক্ত ফল থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে, তাই এগুলো কম পরিমাণে খাওয়া উচিত।
থাইরয়েডে কোন খাবার খাবেন
থাইরয়েড থাকলে কপার এবং আয়রনের শরীরে জন্যে বিশেষ করে খুবই অপরিহার্য হয়ে পড়ে। মাংস, কাজু, গমের আটায় প্রচুর পরিমাণে কপার আছে। এ ছাড়াও সবুজ শাকসব্জি, বিনস, সামুদ্রিক মাছ, মুরগির ডিমে রয়েছে প্রচুর আয়রন। সেই সঙ্গে শরীরে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ বৃদ্ধি করতে লেবু, টমেটো, ক্যাপসিকাম খাওয়া যেতে পারে।