Heart Attack Risk Factors: সতর্ক হোন, এই ৩ বদভ্য়াসের কারণে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

Heart Attack Risk Factors: হৃদযন্ত্রে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। সাধারণত ধমনীতে ফ্যাট, কোলেস্টেরল জমে থাকার কারণে রক্তপ্রবাহে বাধা তৈরি হয়। প্রতিদিনের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। তাই আগে থেকে সাবধানতা অবলম্বন দরকার। কয়েকটি বদভ্যাসের বদল করলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ কমে যায়। 

Advertisement
সতর্ক হোন, এই ৩ বদভ্য়াসের কারণে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কু-অভ্যাসে হার্ট অ্যাটাক!
হাইলাইটস
  • স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হৃদযন্ত্রে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
  • কয়েকটি বদভ্যাসের বদল করলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ কমে যায়। 

বর্তমানে ব্যস্ত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। আধুনিক জীবনযাপনে যে অসুখগুলি ক্রমবর্ধমান সেই তালিকায় অন্যতম হার্ট অ্যাটাক। হৃদরোগে সাধারণত বার্ধক্যজনিত অসুখ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও গত কয়েক বছরে তরুণ-তরুণীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। অতিসম্প্রতি অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা, কন্নড় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা পুনীত রাজকুমার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কলকাতায় গাইতে এসে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মৃত্যু হয় কেকে-র। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন,হৃদযন্ত্রে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। সাধারণত ধমনীতে ফ্যাট, কোলেস্টেরল জমে থাকার কারণে রক্তপ্রবাহে বাধা তৈরি হয়। প্রতিদিনের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। তাই আগে থেকে সাবধানতা অবলম্বন দরকার। কয়েকটি বদভ্যাসের বদল করলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ কমে যায়। 

১। ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখা- আধুনিক জীবনযাপনে বেশিরভাগ মানুষ স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ধিত ওজন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল, হাই ট্রাইগ্লিসারাইড, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় স্থূলতা। এসবই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এ কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সময়মতো ওজন কমিয়ে ফেলুন।

২। ধূমপান এবং অতিরিক্ত চাপ- বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা ধূমপান করেন এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকেন তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি। ধূমপান করলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধমনী সংকুচিত করতে থাকে।হার্টে রক্ত ​​​​প্রবাহ কমে যায়, বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। বেশি চাপ নেওয়ার ফলে বাড়ে রক্তচাপের সমস্যা। যা হৃদরোগের প্রধান কারণ। এজন্য মানসিক চাপ না নেবেন না। ধূমপান থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

৩। অলস জীবনযাপন- স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরামের জীবন হার্ট অ্যাটাকের বিপদ ডেকে আনে। খেয়ে-ঘুমিয়ে দিন কাটালে হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ শরীর যখন নিষ্ক্রিয় থাকে, তখন ধমনীতে ফ্যাট জমা হতে থাকে।হৃৎপিণ্ডে রক্ত ​​বহনকারী ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত বা ব্লক হলে হার্ট অ্যাটাক হয়। সেজন্য শরীরচর্চা করুন। যোগব্যায়াম ও নিয়মিত শরীরচর্চা করলে হার্ট অ্যাটাক ও হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।

Advertisement

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ
- বুকে ব্যথা
- ঘাম
- শ্বাসকষ্ট
- বমি বমি ভাব
- মাথা ঘোরা
- হঠাৎ ক্লান্তি
- বুকের মাঝখানে কয়েক মিনিটের জন্য প্রচণ্ড ব্যথা, ভারী হওয়া বা সংকোচন
- বুক থেকে কাঁধ, ঘাড়, বাহু এবং চোয়াল পর্যন্ত ব্যথা

আরও পডুন- প্রিয় মানুষের সঙ্গে জমাটি রোম্যান্স! লভ হরমোন বাড়াতে খান এই ৫ খাবার

POST A COMMENT
Advertisement