scorecardresearch
 

হেরিটেজ বইয়ে নজর উত্তরের চা বাগানের প্রাচীন বাংলোগুলি

উত্তরে হেরিটেজ সম্পত্তির অভাব নেই। তার মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ চা বাগানের প্রাচীন বাংলোগুলি। ইতিমধ্যেই বাগানগুলির ওই সম্পত্তিকে হেরিটেজ বইয়ে স্থান দিতে চলেছে রাজ্য হেরিটেজ কমিশন। শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • হেরিটেজ কমিশনের নজরে চা বাগানের বাংলোগুলি
  • পাশাপাশি পাহাড়-সমতলের স্থাপত্যেও নজর
  • এনওসি চাওয়া হয়েছে সবার কাছে

তরাই-ডুয়ার্স এর শতাব্দী প্রাচীন চা-বাগানের বাংলোগুলো হেরিটেজ তালিকায় স্থান পেতে চলেছে। রাজ্য হেরিটেজ কমিশনের তরফ থেকে একটি পৃথক বই প্রকাশ করতে যাওয়া হচ্ছে। তাতে চা-বাগানের এই সমস্ত বাংলা গুলি ছাড়াও দার্জিলিং কার্শিয়াং কালিম্পং এর পুরনো স্কুল ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো এই বইয়ে স্থান দেওয়া হবে।

হেরিটেজ বইয়ের জন্য প্রস্তাব

গোটা রাজ্যের বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলিকে এক জায়গায় নিয়ে এসে তথ্য সমৃদ্ধ এই বইটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে বলে আশা করছেন হেরিটেজ কমিশনের সদস্যরা। সোমবারই রাজ্য হেরিটেজ কমিশনের তরফ থেকে নিজেদের বৈঠকে একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাহাড়ের সিংতাম, গিংটি, তুমসুং, চিয়াবাড়ি, সেলিমহিল, স্টেনহল, গ্রীনবর্ন, সৌরিনি ফাগু সহ আরও বেশ কিছু স্থাপত্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

ছবি ও তথ্য়ই আসল

বিভিন্ন চা-বাগান ইতিমধ্যেই তাদের হেরিটেজ বাংলোগুলিকে কেন্দ্র করে আলাদা পর্যটন চালু করে দিয়েছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষগুলি টুরিজম-এর এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছে। কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বইটিতে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি বাংলোর একটি বা দুটি করে ছবি দেওয়া থাকবে। তার সঙ্গে থাকবে তা দীর্ঘ ইতিহাস।

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা ধরে এগোচ্ছে কমিশন

দার্জিলিং, কালিম্পং, পাহাড়ের বিভিন্ন গীর্জা, ব্রাহ্ম মন্দির, ভিক্টোরিয়া স্কুল, ফরেস্ট ট্রেনিং স্কুল, প্লান্টার্স ক্লাব, পোস্ট অফিস, রাজার একাধিক প্যালেস সহ অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। দার্জিলিংয়ের রাজভবন নিজেও একটি হেরিটেজ সম্পত্তি। এছাড়া উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রজেক্ট থেকে যে তালিকা ২০১৩ সালে দেওয়া হয়েছিল, মোটামুটি ভাবে সেই তালিকা ধরে কমিশন এগোচ্ছে।

এনওসি চাওয়া হয়েছে

ইতিমধ্যে একাধিক স্থাপত্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে রাজ্য হেরিটেজ কমিশন। তার সঙ্গে নতুন তালিকায় রাখা প্রাথমিক সম্পত্তিগুলিকে যার যার অধীনে রয়েছে, তাদের কাছ থেকে এনওসি চাওয়া হয়েছে। তাদের অনুমতি চলে এলেই সেগুলিকে বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।