AC Running Perfect Time: রোজ কত ঘণ্টা এসি চালানো উচিত? বিদ্যুৎ বিল ও স্বাস্থ্য দুই বাঁচাতে, সঠিকটা জেনে নিন

Air Conditioner Do's And Don'ts: পকেট ও স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি না করে এই তীব্র গরমে কীভাবে নিশ্চিন্তে ঘুমানো যায়? এছাড়া, দিনে কত ঘণ্টা এসি চালানোটা যুক্তিসঙ্গত? জেনে নিন, দিনে ঠিক কত ঘণ্টা এসি ব্যবহার করা উচিত।

Advertisement
রোজ কত ঘণ্টা এসি চালানো উচিত? বিদ্যুৎ বিল ও স্বাস্থ্য দুই বাঁচাতে, সঠিকটা জেনে নিন এসি

গ্রীষ্মের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে ঘরের পরিবেশ পুরোপুরি বদলে যায়। তীব্র গরমে, অধিকাংশ বাড়িতেই এসি অবিরাম চলতে থাকে। বাইরের তীব্র গরমে এসির শীতল হাওয়া কেবল স্বস্তিই দেয় না, বরং চুল্লির মতো উত্তপ্ত ঘরকেও বসবাসের উপযোগী করে তোলে। যদিও এসি গরম থেকে মুক্তি দেয়, কিন্তু এর অত্যধিক ব্যবহারের ফলে বিদ্যুতের বিলও দ্রুতগতিতে বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, সারাক্ষণ এসি চললে এর হাওয়া স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এসি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে চালানো জরুরি, যাতে এটি শীতলতা প্রদান করে এবং কোনও না করে।

পকেট ও স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি না করে এই তীব্র গরমে কীভাবে নিশ্চিন্তে ঘুমানো যায়? এছাড়া, দিনে কত ঘণ্টা এসি চালানোটা যুক্তিসঙ্গত? জেনে নিন, দিনে ঠিক কত ঘণ্টা এসি ব্যবহার করা উচিত।

এসি কতক্ষণ চালানো নিরাপদ?

আপনি যদি ঘর শীতল রাখার জন্য এসি অবিরাম চালিয়ে রাখেন, তবে বড় ভুল করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে এসি চালানোকে স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর মনে করা হয় না। দীর্ঘক্ষণ এসির বাতাসের সংস্পর্শে থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে এবং নানাবিধ শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

তাই, এক নাগাড়ে এসি ব্যবহারের সময়সীমা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করুন। ঘর পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতল হয়ে গেলে, কিছুক্ষণের জন্য এসি বন্ধ রাখুন অথবা ফ্যান চালিয়ে দিন। এর তিনটি সুফল রয়েছে: প্রথমত, এটি এসির ওপর চাপ কমায়, ফলে যন্ত্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়। দ্বিতীয়ত, এটি আপনার ত্বক ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় এবং তৃতীয়ত, এটি বিদ্যুতের খরচও কমিয়ে দেয়। সুতরাং, আপনি দিনে মোট ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এসি ব্যবহার করতে পারেন।

দীর্ঘক্ষণ এসির সংস্পর্শে থাকার কুফল

সারাক্ষণ এসির ভেতরে বসে থাকাকেও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে গণ্য করা হয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, আপনি যখন অবিরাম একটি শীতল পরিবেশে অবস্থান করেন, তখন আপনার শরীর কম ক্যালোরি খরচ করে; কারণ শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য তখন শরীরকে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না।

Advertisement

এর প্রভাব ধীরে ধীরে শরীরের ওপর দৃশ্যমান হতে শুরু করে। এর ফলে ওজন বৃদ্ধি, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং মাথাব্যথা বা ক্লান্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, মাঝে মাঝে এসির বাইরে বেরিয়ে এসে মুক্ত ও তাজা বাতাস গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার এসির জন্য কোন তাপমাত্রাটি সবচেয়ে উপযুক্ত? আপনি যদি চান আপনার এসি ঘরটিকে সঠিকভাবে ঠান্ডা করুক এবং আপনি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল এড়াতে চান, তবে সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির তাপমাত্রা ২৪° সেলসিয়াস থেকে ২৬° সেলসিয়াসের মধ্যে সেট করে রাখাই সর্বোত্তম। এই তাপমাত্রা ঘরটিকে ঠান্ডা রাখে এবং বিদ্যুতের খরচ কমায়। এসি ১৬° সেলসিয়াস বা ১৮°সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চালালে বিদ্যুতের খরচ বেড়ে যেতে পারে।


 

POST A COMMENT
Advertisement