শাকের উপকারিতাVegetables Cleaning Process: শীতকাল মানেই বাজারে শাকের রমরমা। রোজকার তরকারি থেকে শুরু করে বিশেষ পদ, সবেতেই ব্যবহার হয় এই সবুজ শাক। কিন্তু রান্নায় ব্যবহারের আগে শাক ঠিকমতো পরিষ্কার না হলে সেটাই হয়ে উঠতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। পাতার ফাঁকে লুকিয়ে থাকা পোকা থেকে শুরু করে ডাঁটিতে লেগে থাকা মাটি। সাবধানে না ধুলে এসব সহজেই খাবারের মধ্যে চলে যেতে পারে। তখনই শুরু হবে নানা পেটের রোগ।
বাজার থেকে শাক আনার পর প্রথমেই গোড়া কেটে ফেলা জরুরি। পচা বা হলদে পাতা আলাদা করে দিতে হবে। এরপর ঠান্ডা জলের বড় পাত্রে কাটা শাক কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখলে দেখা যাবে ময়লা ও বালি থিতিয়ে যাচ্ছে। শাক তুলে নিলে পাত্রের জল ঘোলা হয়ে পড়ে, অর্থাৎ ময়লার বড় অংশই বেরিয়ে এসেছে।
সময়ের অভাব থাকলে শাক ছাঁকনিতে রেখে কলের নীচে ধোয়ার পদ্ধতিও কাজে লাগে। জলের স্রোতে পাতার ফাঁকে থাকা ধুলোবালি সহজেই বেরিয়ে যায়। তবে এই পদ্ধতিতে শুরু থেকেই শাক ছেঁটে নেওয়া জরুরি, না হলে গোড়ার কাদা আবার শাকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
অনেকে উষ্ণ জলে শাক ধোয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করেন। ফুটন্ত জলে এক চিমটে নুন ও চিনি মিশিয়ে তাতে শাক ১-২ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে রাখলে শাক আরও পরিষ্কার হয়। এই প্রক্রিয়ায় শাকে থাকা রং বা কৃত্রিম প্রলেপও আলগা হয়ে যায়।
ভিনিগার দিয়েও শাক পরিষ্কার করা যায়। এক বাটিতে জল নিয়ে তাতে এক চামচ ভিনিগার মিশিয়ে পালংশাক ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে ময়লা, পোকা এবং ব্যাকটেরিয়া সহজেই দূর হয়ে যায়। ভিনিগার না থাকলে নুন জলেও একই কাজ হয়।
সব মিলিয়ে একটু যত্ন আর সঠিক ধোওয়ার নিয়ম মেনে চললেই শীতের প্রিয় শাক হয়ে উঠবে একদম নিরাপদ। স্বাস্থ্যকর খাবারের শুরুই হয় পরিষ্কার উপকরণ দিয়ে। তাই রান্নায় হাত দেওয়ার আগে শাক ধোওয়ার ধাপগুলি এড়িয়ে যাওয়া চলবে না।