Child Obesity: আপনার সন্তানও কি মোটা? মা-বাবাদের এই পরামর্শ দিলেন ডাক্তার সারিন

অবেসিটি এখন গোটা ভারতেই একটা বড় সমস্যা। নির্দিষ্ট কোনও বয়স নয়, যে কোনও বয়সেই হতে পারে এই সমস্যা। ছোটদের ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হলে কী করবেন? খারাপ জীবনযাত্রা এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাসের কারণে ভারতীয়দের মধ্যে স্থূলতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।

Advertisement
আপনার সন্তানও কি মোটা? মা-বাবাদের এই পরামর্শ দিলেন ডাক্তার সারিনশিশু

অবেসিটি এখন গোটা ভারতেই একটা বড় সমস্যা। নির্দিষ্ট কোনও বয়স নয়, যে কোনও বয়সেই হতে পারে এই সমস্যা। ছোটদের ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হলে কী করবেন? খারাপ জীবনযাত্রা এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাসের কারণে ভারতীয়দের মধ্যে স্থূলতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে। ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকায়, তা কমাতে অনেকেই প্রচুর ঘাম ঝরায়, কারণ শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমানোর জন্য প্রচুর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন হয়। 

শিশুদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে
ভারত সরকারের "ভারতে শিশু ২০২৫" প্রতিবেদন অনুসারে, ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় ৩৩ শতাংশ, অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশ ভারতীয় শিশু উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যায় ভুগতে পারে। ট্রাইগ্লিসারাইড হল আমাদের শরীরে এক ধরণের চর্বি, যা খাদ্যতালিকাগত চর্বি থেকে উৎপন্ন হয়। যদি এগুলি অতিরিক্ত পরিমাণে জমা হয়, তাহলে তারা রক্তনালীগুলিকে আটকে দিতে পারে, যা হৃদপিণ্ডের ধমনীগুলিকে ব্লক করে ফ্যাটি লিভারের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

শিশুদের স্থূলতা থেকে কীভাবে রক্ষা করা যায়?
অল্প বয়সেই বাবা-মায়ের তাদের সন্তানদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া উচিত, কারণ এই বয়সে ওজন বৃদ্ধি খুবই ক্ষতিকারক হতে পারে। তাই, বাবা-মায়ের উচিত তাদের সন্তানদের সুস্থ ও ফিট রাখার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।

গর্ভবতী মহিলা দের তাদের ওজন এবং চিনির মাত্রার যত্ন নেওয়া উচিত যাতে শিশুটি অতিরিক্ত ওজনের জন্ম না নেয়।

বাচ্চাদের ঘরে রান্না করা সহজ খাবার খাওয়ান, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে রাখুন।

যদি ৩ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে চিনি না দেওয়া হয়, তাহলে তার হৃদপিণ্ড এবং লিভার দীর্ঘ সময় সুস্থ থাকবে।

যদি আপনার শিশুর ওজন ৫ বছর বয়স পর্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ থাকে, তা হলে ভবিষ্যতে তার লিভার এবং বিপাকীয় রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

শিশুদের জন্য কম পক্ষে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের অভাবে ক্ষুধার হরমোন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে, যার কারণে শিশু বেশি খেতে শুরু করে।

Advertisement

আপনার সন্তানকে যতটা সম্ভব কম মোবাইল ফোন এবং গ্যাজেট দিন, যদি সম্ভব হয়, একেবারেই দেবেন না এবং তাদের শারীরিক ঝর্যকলাপের দিকে মনোযোগ দিন।

POST A COMMENT
Advertisement