এঁচোড় কাটার পদ্ধতিগরমকাল মানেই আম-জাম-কাঁঠালের মরশুম। তবে এই সময় এঁচোড় খেতে ভাল লাগলেও আনার পর তা ছাড়ানো বেশ কঠিন কাজ। প্রথমত এই সবজি বেশ ভারী হয়ে থাকে এবং এঁচোড় এতটাই আঠালো হয় যে এটা ছাড়ানো বেশ সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। আর এই কারণে অনেকেই এঁচোড় খেতে ভালোবাসলেও এই সবজি কেনা থেকে নিজেদের বিরত রাখেন। তবে সহজ কিছু টিপস মানলে খুব সহজেই এঁচোড় ছাড়াতে পারবেন। মাস্টার শেফ কুণাল কাপুর এঁচোড় কাটার কিছু সহজ পদ্ধতি বলেছে, যেটা মেনে চললে আপনার হাতও পরিষ্কার থাকবে এবং এঁচোড় কাটতে পারবেন আরও সহজে।
ঠান্ডা জল
এঁচোড় কাটার আগে একটি বাটিতে বরফ দেওয়া ঠান্ডা জল নিয়ে নিন। এতে হলুদ ও নুন মিশিয়ে নিন। এটা এঁচোড় কালো হওয়ার থেকে বাঁচাবে।
তেল লাগানোর সঠিক পদ্ধতি
ছুরির ডগায় এবং যে হাতে এঁচোড় ধরবেন, সেই হাতে প্রচুর পরিমাণে সর্ষের তেল মাখুন। দুই হাতে তেল মাখলে ছুরি পিছলে যাওয়া রোধ করা যায়।
এঁচোড়ের আঠা বের করুন
প্রথমে এঁচোড়ের দুই প্রান্ত কেটে ফেলুন এবং আঠালো দুধের মতো রস একটি আলাদা বাটিতে ঝরে পড়তে দিন। তারপর এঁচোড়টি অর্ধেক করে কেটে দিন।
লম্বালম্বিভাবে কেটে নিন
গোল করে ফালি করার পরিবর্তে এঁচোড়টি লম্বালম্বিভাবে কাটুন। এতে এর আঠালো ভাব কমে যায় এবং কাটতে সুবিধা হয়।
ভেতরের শক্ত অংশটির ব্যাপারে সতর্ক থাকুন
শক্ত অংশটি পুরোপুরি ফেলে দেবেন না। শুধু সামান্য একটু কেটে নিন। এতে রান্নার সময় সবজি ভেঙে যাবে না।
জলে ডুবিয়ে নিন
এঁচোড় টুকরো করে কাটার সঙ্গে সঙ্গে লবণ ও হলুদ মেশানো ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে দিন। এতে এর রং বজায় থাকবে এবং আঠালো ভাব দূর হবে।
সংরক্ষণ ও ব্যবহার
জল থেকে এঁচোড়ের টুকরোগুলি ছেঁকে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করুন অথবা একটি এয়ার টাইট পাত্রে ফ্রিজে ২-৩ দিনের জন্য সংরক্ষণ করুন।