কলকাতা স্টাইল ফিস ফ্রাইবাঙালির চায়ের সঙ্গে টা বললেই প্রথমেই আসে ভাজাভুজির কথা। চা-সিঙাড়ার পর সব চেয়ে আগে যে খাবারটি তালিকায় আসে ত হল ফিশ ফ্রাই। অনেকেই আছেন, মাছ পছন্দ করেন না। তবে তাঁদের প্লেটেও যদি ফিশ ফ্রাই রাখা যায় নিষেধ করবেন না। আসলে এই পদটি বাঙালির স্বাজাত্যাভিমানের প্রতীক। বিস্কুটের গুঁড়ো আর ডিমের গোলার ভিতর পুরু মাছের পরত। সেই সঙ্গে নস্ট্যালজিয়া। এখন অবশ্য পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে ক্যাফে, সর্বত্রই এই খাবারটি পাওয়া যায়। আমাদের কলকাতায় এমন কিছু দোকান রয়েছে যারা বছরের পর বছর ধরে ফিশ ফ্রাই বানিয়ে মন জয় করে চলেছে। তবে ফিশ ফ্রাই চাখতে হলে বাইরে কেন, ঘরে বসেও তৈরি করা যায়।
উপকরণ
ভেটকি/বাসা মাছের ফিলে-2টো
পাতি লেবুর রস-পরিমাণমতো
ধনেপাতা বাটা-১ চামচ
আদা ও রসুন বাটা-১ চামচ
লঙ্কা বাটা-১/২ চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো-সামান্য
নুন-স্বাদমতো
কাঁচা ডিম-১ টা
কর্নফ্লাওয়ার-১ চামচ
বিস্কুটের গুঁড়ো-পরিমাণমতো
ভাজার জন্য-তেল
পদ্ধতি
মাছের ফিলেগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার পাতিলেবুর রস, নুন এবং গোলমরিচ মাখিয়ে রেখে দিন ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
এবার সমস্ত বাটা মশলা ভালো করে মিশিয়ে দিন ওই ফিলে দুটোর মধ্যে। এই ভাবে ম্যারিনেট করে রেখে দিন অন্তত ২ ঘণ্টা পর্যন্ত।
একটা বাটিতে কাঁচা ডিম ফেটিয়ে নিন। ওর মধ্যে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে দিন। আবারও ভালো করে ফেটিয়ে নিন। দেখবেন ডিমের মধ্যে যেন কোনও ডেলা না থাকে।
ম্যারিনেট করা ওই মাছের ফিলেগুলো ডিম ও কর্নফ্লাওয়ারের গোলায় ডিপ করে তুলে নিন। আগে থেকে বিস্কুটের গুঁড়ো রেখে দিন একটা বড় পাত্রে। মাছের ফিলেটা বিস্কুটের গুঁড়োর মধ্যে দিয়ে দিন। এই ভাবে দুপিঠ কোটিং করে নিন। টাইট করে কোড করবেন যাতে কড়াইতে দিলে খুলে যেন না যায়।
কড়াইতে তেল ভালো করে গরম করে নিন। এবার তাতে ফিলেগুলো ভেজে নিন। সোনালি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন।
এবার কাসুন্দি, গ্রিন চাটনি অথবা সসের সঙ্গে খেলে জমে যাবে সপ্তাহান্তের ভোজ। অতিথি এলেও তৈরি করে নিতে পারেন।