চেখে দেখুন এই খিচুড়িডায়াবেটিসের রোগীদের ডায়েটের দিকে বিশেষ নজর দিতে হয়। ভাজাভুজি, চিনিযুক্ত খাবার খেলেই বিপদ। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ব্রেকফাস্টের উপর বেশি নজর দেওয়া জরুরি। ডায়াবেটিসের রোগীদের ডায়েটে ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। এক্ষেত্রে মুসলি, ডালিয়া, ওটসের মতো স্বাস্থ্যকর। কিন্তু ব্রেকফাস্টে যদি ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার খান, তাহলে ওটসের তৈরি খাবার খেতে পারেন। ওটস হল সুপারফুড। ফাইবারের পাশাপাশি ওটসের মধ্যে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
বেশিরভাগ মানুষ দুধ কিংবা দই দিয়ে ওটস খান। দুধ দিয়ে ওটমিল কিংবা ওভারনাইট ওটস দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। কিন্তু দুধে অ্যালার্জি থাকলে আপনি ওটসের সঙ্গে দুধ কিংবা দই মিশিয়ে খেতে পারবেন না। তাছাড়া রোজ রোজ এভাবে ওটস খেতে কারওই ভাল লাগে না। তাহলে উপায় কী? ওটসকে ভারতীয় স্টাইলে খেতে পারেন। ওটসের তৈরি খিচুড়ি খেতে পারেন। মশলা ও সবজি দিয়ে তৈরি ওটসও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর। কীভাবে এই ওটসের খিচুড়ি তৈরি করবেন, দেখে নিন সহজ রেসিপি।
কী কী লাগছে
গাজর, বিনস, মটরশুঁটি, ক্যাপসিকাম, টমেটো, পেঁয়াজ ও আদা কুচি, ওটস মুগ ডাল,ঘি, গোটা সর্ষে, কারিপাতা, জিরে, হলুদ গুঁড়ো, নুন ও চিনি।
পদ্ধতি
গাজর, বিনস, বিট, মটরশুঁটি, ক্যাপসিকাম, টমেটো, পেঁয়াজ ও আদা কুচিয়ে নিন। শুকনো কড়াইতে ১/২ কাপ ওটস রোস্ট করে নিন। ১/২ কাপ মুগ ডাল সেদ্ধ করে রাখুন। এবার কড়াইতে ১ চামচ ঘি, গোটা সরষে, কারিপাতা, পেঁয়াজ, লঙ্কা, আদা ও জিরে ফোড়ন দিন। এরপর এতে সমস্ত সবজি দিয়ে ভেজে নিন। এবার এতে ওটস ও সেদ্ধ করে রাখা ডালটা দিয়ে দিন। স্বাদ অনুযায়ী নুন, চিনি দিন। সামান্য হলুদ দেবেন। এবার এতে পরিমাণমতো জল দিয়ে ঢেকে রাখুন। ৫ মিনিট ঢেকে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে ওটসের খিচুড়ি। এই ওটসের খিচুড়ি আপনি ব্রেকফাস্টের পাশাপাশি লাঞ্চেও খেতে পারেন।