শসাগরম বাড়তে থাকায় শসার চাহিদাও বাড়ছে। পুষ্টিগুনের দিক থেকেও এই শসা খুব গুরুত্বপূর্ণ। শসাতে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও একটি ভালো উৎস। তবে অনেক ক্ষেত্রেই খাওয়ার সময় দেখা যায় শসা তেতো। এমনটা হলে অনেকেই শসা ফেলে দেন। তবে এবার থেকে আর শসা নষ্ট করবেন না। কীভাবে খাবেন? আজ আপনাদের সে ব্যাপারেই টিপস দেব।
শসার তেতো ভাব দূর করার উপায়:
১. শসার দুই প্রান্ত কেটে ঘষুন
শসাটি জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। তারপর, একটি ছুরি দিয়ে এর দুই প্রান্ত কেটে ফেলুন। এরপর, কাটা প্রান্তটি দিয়ে শসাটি বৃত্তাকারে ঘষুন। এতে সাদা ফেনা তৈরি হবে। এখন, শসার সামনের ও পেছনের অংশ থেকে অল্প পরিমাণে কেটে আলাদা করে নিন। এতে শসার তেতো ভাব দূর হবে এবং এটি খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠবে।
২. শসাটি অর্ধেক করে কেটে নিন
এর তেতো ভাব দূর করতে, শসাটি জলে ধুয়ে নিন এবং তারপর একটি ছুরি দিয়ে অর্ধেক করে কেটে নিন। এরপর, শসাটির সামনের ও পেছনের অংশ কেটে ফেলে দিন। এতে শসাটি তেতো হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
৩. শসায় লবণ মাখান
শসার দুই প্রান্ত থেকে সামান্য করে কেটে নিন। শসার উপর লবণ ছিটিয়ে এক বা দুই মিনিটের জন্য রেখে দিন। এবার শসার কাটা অংশ দিয়ে এটি ঘষুন। কিছুক্ষণ ঘষার পর শসাটি আরও একটু কেটে নিন। এতে তেতো ভাব চলে যাবে। শসা কেটে ৫-১০ মিনিটের জন্য লবণ জলে ভিজিয়ে রাখলেও তেতো ভাব দূর করতে সাহায্য করবে।
৪. শসার টুকরোগুলো ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রাখুন
তেতো ভাব দূর করতে শসার টুকরোগুলো ৫-১০ মিনিটের জন্য ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে রাখুন। এতে তেতো স্বাদ দূর হবে এবং শসাগুলো আরও তাজা দেখাবে।
৫. শসাটি এভাবে ছুলে নিন
আপনার জানা উচিত যে শসার বেশিরভাগ তিতো ভাবটা এর খোসাতেই থাকে। তাই শসার পুরু খোসাটি ছাড়িয়ে নিন। এমনটা করলে এর স্বাদ উন্নত হতে পারে।
৬. সঠিক শসা বেছে নিন
শসা কেনার সময় সবসময় তাজা, শক্ত এবং হালকা সবুজ শসা খুঁজুন। অতিরিক্ত পাকা বা হলুদশসা প্রায়শই তেতো হয়।