মাঝেমধ্যে পেনকিলার খেলেও ক্ষতি হতে পারে কিডনির, জেনে নিন

এখন মানুষ মাথাব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, পিরিয়ডের ব্যথা বা গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সহজেই পেন কিলার খেয়ে নেন। এই ওষুধগুলো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়, যা এর ব্যবহার আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন যে এই ওষুধগুলোর বারবার ব্যবহার কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। হ্যা, এটি আপনার কিডনির জন্য একটি বড় সমস্যার হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে..

Advertisement
মাঝেমধ্যে পেনকিলার খেলেও ক্ষতি হতে পারে কিডনির, জেনে নিন মেফট্যাল-স্পাস একটি বহুল বিক্রিত ব্যথানাশক যা মহিলারা প্রায়শই মাসিকের ব্যথার সময় সেবন করেন। (ছবি: গেটি ইমেজেস)

এখন মানুষ মাথাব্যথা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, পিরিয়ডের ব্যথা বা গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সহজেই পেন কিলার খেয়ে নেন। এই ওষুধগুলো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়, যা এর ব্যবহার আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন যে এই ওষুধগুলোর বারবার ব্যবহার কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। হ্যা, এটি আপনার কিডনির জন্য একটি বড় সমস্যার হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে..
.
আসলে, সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ব্যথানাশকগুলো হলো এনএসএআইডি (NSAID), যেমন আইবুপ্রোফেন এবং ডাইক্লোফেনাক। এই ওষুধগুলো শরীরের প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা উপশম করে। তবে, এগুলো কিডনিতে রক্ত প্রবাহও কমিয়ে দিতে পারে। পরিমিত এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এগুলো সাধারণত নিরাপদ। তবে, বারবার বা অতিরিক্ত ব্যবহারে কিডনির উপর চাপ বাড়তে পারে। যাদের আগে থেকেই জয়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বিশেষভাবে বেশি। দীর্ঘ সময় ধরে এটি করলে ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনি বিকলও হয়ে যেতে পারে।

কাদের পেনকিলার খেলে ঝুঁকি বেশি?
যদিও এটি সবার ক্ষেত্রেই হতে পারে, তবে যাদের আগে থেকেই কিডনির রোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের ঝুঁকি বেশি। এছড়াও, বয়স্ক ব্যক্তি, আর্থ্রাইটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, যারা নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খান এবং যারা ডাক্তারের পরামর্শ ছড়া একাধিক ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ঝুঁকিও বেশি থাকে।

নিরাপদ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ডাক্তাররা বলেন যে, ব্যথানাশক ওষুধ পুরো পুরি এড়িয়ে চলার প্রয়োজন না থাকলেও, বিচক্ষণতার সঙ্গে এর ব্যবহার অপরিহার্য। প্রচুর পরিমাণে জল পান করাও জরুরি, কারণ ডিম্ব ইড্রেশন কিডনির উপর এর প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ব্যথা পুনরায় দেখা দিলে, শুধু ওষুধ না খেয়ে এর অন্তর্নিহিত কারণ শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। জীবনযাত্রার পরিবর্তন, সঠিক অঙ্গবিন্যাস, ফিজিওথেরাপি এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রয়োজনে, জক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং নিরাপদ বিকল্প গ্রহণ করাই শ্রেয়।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement