
ফুচকা খাওয়ার আগে সাবধান। প্রতীকী ছবিPanipuri Side Effects: আর দিন কয়েক বাদেই দুর্গাপুজো। চলবে দেদার আড্ডা সঙ্গে খানাপিনা। দুর্গাপুজোর এই মরসুমে রাস্তায় বিভিন্ন খবরের স্টল থাকে। সেখানে ভিড় থাকে চোখের পড়ার মতো। ভোজনরসিক বাঙালি পুজোর এই ৫টা দিনে নিজেদের ডায়েট চার্ট ভুলেই যান প্রায়। পুজোর সময়ে ফুচটার স্টলগুলিতে ভিড় থাকে প্রচুর। রাস্তায় প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরতে ঘুরতে প্রচুর মানুষ ফুচটা খান। শহরের বিভিন্ন মণ্ডপের পাশেই থাকে ফুচকার স্টলগুলি। কিন্তু পুজোর মধ্যে দেদার এই ফুচকা খাওয়া কি আদৌ ভালো? অনেকেরই ফুচকা খেলে অম্বলের সমস্যাতে ভোগেন। তবে শুধুমাত্র অম্বল নয়, ফুচকা বেশি খেলে কিন্তু নানারকম সমস্যাতে ভুগতে হতে পারে।
অনেক সমস্যা হতে পারে
ফুচকার কারণে শুধু টাইফয়েডের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। এর পাশাপাশি শরীরে আরও অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বেশিরভাগ শিশুকে ফুচকা খেতে নিষেধ করা হয়। ফুচকা বেশি পরিমাণে খেলে করলে ডায়রিয়া হতে পারে। বাচ্চারা যদি ফুচকা বেশি খায়, তাহলে তা ডিহাইড্রেশনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। ফুচকা বেশি খাওয়ার কারণে বমি, ডায়রিয়া ও জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এর পাশাপাশি আলসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতিরিক্ত ফুচকা খেলে পরিপাকতন্ত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী ফুচকাও অন্ত্রে প্রদাহের কারণ হতে পারে।
সতর্ক থাকা প্রয়োজন
ফুচকা বেশি পরিমাণে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে রাস্তার ধারে স্টল থেকে ফুচকা খেলে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। কারণ, অনেক সময়ে ফুচকার জলে স্বাদ মেরাতে কৃত্রিম বিভিন্ন পদার্থ ব্যবহার করা হয়। সেটা থেকেও শরীর খারাপের ঝুঁকি থাকে। তাই বর্ষাকালে ফুচকা না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পুজোর এই মরসুমে প্রচুর মানুষ বাইরে ফুচকা খেয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। যদি ফুচকা খেলে কারোর অতিরিক্ত সমস্যা হয়, তাহলে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।