scorecardresearch
 

Heart Attack: সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক আচমকা কেড়ে নিতে পারে প্রাণ, লক্ষণ জানুন

আজকাল মানুষের জীবনযাত্রা এমন হয়ে গেছে যে হার্টের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। এখন তরুণদেরও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, অথচ বছর খানেক আগে তা খুব কমই দেখা যেত। সবথেকে ভয়ের বিষয় হল সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক। অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ বুঝতে পারেন না।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • এই হার্ট অ্যাটাক এমন একটি ঘটনা, যা চিকিত্সকদেরও অবাক করেছে
  • অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ বুঝতে পারেন না

আজকাল মানুষের জীবনযাত্রা এমন হয়ে গেছে যে হার্টের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। এখন তরুণদেরও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, অথচ বছর খানেক আগে তা খুব কমই দেখা যেত। সবথেকে ভয়ের বিষয় হল সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক। অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ বুঝতে পারেন না। কখনও কখনও এই সাইলেন্ট কিলার মারাত্মক হতে পারে। এই হার্ট অ্যাটাক এমন একটি ঘটনা, যা চিকিত্সকদেরও অবাক করেছে।

দিল্লির ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁর ডায়াবেটিস বা বিপির সমস্যা ছিল না। তা সত্ত্বেও, গাড়ি চালাতে গিয়ে আচমকা হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যেতেই অজ্ঞান হয়ে যান ওই ব্যক্তি।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে ভেন্টিলেটরে রেখে সিপিআর ও বিভিন্ন ধরনের শক ট্রিটমেন্ট দেওয়া শুরু করেন, কিন্তু তার অবস্থার কোনদ উন্নতি হয়নি। তাঁর শারীরিক অবস্থা এত খারাপ হলে রোগীকে দ্রুত ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে পরীক্ষার সময় হার্টের ধমনীতে ব্লকেজ পাওয়া গেছে
অ্যাপোলোর কার্ডিওলজি বিভাগের বরিষ্ঠ চিকিৎসক অমিত মিত্তাল মামলার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। অমিত মিত্তাল জানান, রোগীকে অ্যাপোলোতে আনার সঙ্গে সঙ্গে তার অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করা হয়। অ্যাঞ্জিওগ্রাফিতে জানা যায়, তার হার্টের ধমনী ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ ব্লক রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে রোগীর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়।

অ্যাঞ্জিওগ্রাফিপ্লাস্টির পর রোগীর হার্ট আবার স্বাভাবিক অবস্থায় স্পন্দিত হতে থাকে। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল হলে রোগীকে ভেন্টিলেটর থেকে বের করা হয়। রোগীর অবস্থার আরও উন্নতির পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন তাঁর ৬০ শতাংশ হার্ট স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

অ্যাপোলো হাসপাতালের কার্ডিও বিভাগের অন্য একজন সিনিয়র ডাক্তার মুকেশ গোয়েল বলেছেন, অত্যন্ত গুরুতর কেস, কারণ রোগীর অবস্থা মিনিটে মিনিটে অবনতি হচ্ছিল। রোগী ক্রমাগত ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাঁর স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছিল না।

চিকিৎসা না হলে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে
চিকিৎসক আরও বলে, যখন তাকে অ্যাপোলোতে আনা হয়েছিল, তার দ্রুত চিকিত্সা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এমনকি এনজিওপ্লাস্টির সময়ও চিকিৎসকরা তাকে ক্রমাগত ম্যাসাজ ও শক দিয়ে যাচ্ছিলেন। চিকিৎসক বলেন, এমন সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা খুব কম যুবকের মধ্যেই দেখা যায়।