Sleeping Problem : রাতে ঘুম না আসার অন্যতম কারণ জল কম খাওয়াও, কত গ্লাস জরুরি

Sleeping Problem : গবেষণার সময় মানুষের ঘুমের অভ্যাস পরীক্ষা করা হয়।গবেষকরা দেখেছেন যে ঘুমের গুণমান এবং হাইড্রেশন শরীরে উপস্থিত ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোনের সাথে সম্পর্কিত। গবেষকরা জানিয়েছেন, রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে বেশি করে জল পান করুন। ডিহাইড্রেশন শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে।

Advertisement
রাতে ঘুম না আসার অন্যতম কারণ জল কম খাওয়াও, কত গ্লাস জরুরিঘুমের সমস্যা। প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • রাতে ঘুম না আসার অন্যতম কারণ জল কম খাওয়াও
  • কত গ্লাস জরুরি
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

Sleeping Problem : রাতে শোয়ার পরে কিছুতেই ঘুম আসে না। কমবেশি এখন অনেকেই এমন সমস্যায় ভুক্তভোগী। অনেক চেষ্টার পরে ঘুম আসে না কিছুতেই।  আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যাঁরা সারারাত বিছানায় শুয়ে থাকেন। অনেক চেষ্টার পরও ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। সাম্প্রতিক এক গবেষণার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে যে প্রতিটি মানুষের ঘুম না আসার কারণ, একে অপরের থেকে খুব আলাদা। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সঠিক পরিমাণে জল পান না করার কারণে মানুষের ঠিকমতো ঘুম হয় না। পেনসিলভানিয়ার পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, যারা প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমান তাদের তুলনায় যারা রাতে মাত্র ৬ ঘন্টা ঘুমান, তারা বেশি ডিহাইড্রেটেড হয়।

জানুন কী জানাচ্ছে গবেষণা

'স্লিপ' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার প্রতিবেদনে ২০ হাজার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গবেষণার সময় মানুষের ঘুমের অভ্যাস পরীক্ষা করা হয়।গবেষকরা দেখেছেন যে ঘুমের গুণমান এবং হাইড্রেশন শরীরে উপস্থিত ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোনের সাথে সম্পর্কিত। গবেষকরা জানিয়েছেন, রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে বেশি করে জল পান করুন। ডিহাইড্রেশন শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে।

তাই সারাদিন বেশি করে জল পান করুন এবং চা, কফি অন্তত খান। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বেশিরভাগ কর্মজীবী ​​মানুষেরই ঘনঘন রাত জেগে থাকার অভ্যাস রয়েছে। রাতে ঘুমানোর সময় যদি আপনার চোখ অনেকবার খুলে যায়, তাহলে আপনি ক্যাটাস্ট্রফাইজিং বা রাতের ভয় নামক রোগের শিকার হতে পারেন। এই রোগে মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং মানুষ ধাক্কা খেয়ে বসে থাকে। গবেষকরা বলছেন পরিমাণ মতো গ্লাস অনুযায়ী জল খাওয়া উচিত।

মানসিক চাপ প্রধান কারণ
বর্তমান জীবনে বাসা, সম্পর্ক ও অফিসের কাজের চাপই মানসিক চাপ বাড়াতে যথেষ্ট। স্ট্রেস আপনার আরামদায়ক ঘুমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যখন আপনার মন শান্ত থাকে তখন আপনার ভালো ঘুম হয় এবং আপনি সারাদিন সতেজতায় ভরপুর থাকেন। কিন্তু যত তাড়াতাড়ি আপনার মন চাপ এবং চাপে ভরে যায়, এটি আপনার ঘুমের অভ্যাসকে প্রভাবিত করে। ফলে অনেকের রাতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। এমন রোগে আক্রান্ত হলে অতি দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করা উচিত।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement