
আয়ুর্বেদের এই বিশেষ প্রতিকার ৩০ মিনিটে দূর করবে 'সুগার', থাকবে না ডায়াবেটিসDiabetes Ayurveda Treatment: ডায়াবেটিস হওয়ার পর খাওয়া-দাওয়ায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়। মিষ্টি কিছু খেলে সঙ্গে সঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। হাই ব্লাড সুগারের কারণে মুখ শুকিয়ে ওঠা, তৃষ্ণা, ক্লান্তি, ঝাপসা দৃষ্টি এবং অত্যধিক প্রস্রাব হতে পারে।
একটি আয়ুর্বেদিক প্রতিকারে ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলি থেকে চিরতরে মুক্তি মিলতে পারে। এই রেসিপিটি এতটাই অসাধারন যে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই হাই সুগার কন্ট্রোল হয়ে যায় অর্থাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ডায়াবেটিসের এই আয়ুর্বেদিক প্রতিকারের নাম করলা। যা আমরা সবাই জানি।
সঙ্গে সঙ্গে রক্তে সুগার কমে যাবে
Pubmed Central-এ উপর ভারতীয় গবেষকদের একটি গবেষণা রয়েছে , যা বলে যে করলার রস পান করলে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে যায়। পাশাপাশি, খাওয়ার ১২০ মিনিট পরে, এটি আরও হ্রাস পায় এবং এর স্তর স্বাভাবিক হয়ে যায়।
করলা সুগারের জন্য রামবাণ
একই জার্নালে অন্য একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে করলার অ্যান্টি-ডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা আসে ট্রাইটারপেন, প্রোটিড, স্টেরয়েড, অ্যালকালয়েড, ইনঅরগানিক, লিপিড এবং ফেনোলিক যৌগের কারণে। এটা ডায়াবেটিস মেলিটাসকে মূল থেকে নির্মূল করতে সাহায্য করে ।

করলাতে থাকে 'ইনসুলিন'
বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করলার ভেতরে এমন একটি উপাদান রয়েছে, যা হুবহু ইনসুলিনের মতো কাজ করে। এটি কোষকে গ্লুকোজ ব্যবহার করতে সাহায্য করে, যা রক্তে এর পরিমাণ কমিয়ে দেয়।
প্রি-ডায়াবেটিসেও কার্যকর
যখন রক্তে সুগারের পরিমাণ বেশি হতে শুরু করে, তখন সেই অবস্থাকে প্রি-ডায়াবেটিস বলা হয়। রোগ থেকে মুক্তি পেতে এই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এই আয়ুর্বেদিক প্রতিকার গ্রহণ করলে রোগটিকে মারাত্মক হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়।
ডায়াবেটিস এড়ানোর উপায়
যারা সুস্থ তারাও করলা খেয়ে ডায়াবেটিস এড়াতে পারেন । এটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায় এবং সমস্যায় পড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
করলা খেলে কী হয়?
১.ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফোলেট রয়েছে
২. ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে
৩. খারাপ কোলেস্টেরল কমে যায়
৪. ওজন কমাতে সাহায্য করে
Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনোভাবেই কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।