সঙ্গী ছাড়াই জীবন কাটাচ্ছেন এই এলাকার মহিলারা, কারণটা জানলে চমকে যাবেন!

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের পাঁচটি রাজ্য, তামিলনাড়ু, কেরল, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানা, সবকটিতেই স্বামী ছাড়া বসবাসকারী নারীর হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি। এর মধ্যে তামিলনাড়ু (১১.৬%) শীর্ষে, এরপর কেরল (১০.৪%), কর্নাটক (৮.৬%), অন্ধ্রপ্রদেশ (৮.০%) এবং তেলঙ্গানা (৭.৬%)।

Advertisement
সঙ্গী ছাড়াই জীবন কাটাচ্ছেন এই এলাকার মহিলারা, কারণটা জানলে চমকে যাবেন!
হাইলাইটস
  • দেশের তুলনায় দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যগুলিতে স্বামী ছাড়া বসবাসকারী (বিধবা, বিবাহবিচ্ছেদপ্রাপ্তা বা বিচ্ছিন্ন) নারীদের অনুপাত বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে একাধিক সামাজিক ও জনতাত্ত্বিক কারণ।
  • ২০২৪ সালের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে এই প্রবণতার স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়।

দেশের তুলনায় দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যগুলিতে স্বামী ছাড়া বসবাসকারী (বিধবা, বিবাহবিচ্ছেদপ্রাপ্তা বা বিচ্ছিন্ন) নারীদের অনুপাত বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে একাধিক সামাজিক ও জনতাত্ত্বিক কারণ। ২০২৪ সালের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে এই প্রবণতার স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের পাঁচটি রাজ্য, তামিলনাড়ু, কেরল, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানা, সবকটিতেই স্বামী ছাড়া বসবাসকারী নারীর হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি। এর মধ্যে তামিলনাড়ু (১১.৬%) শীর্ষে, এরপর কেরল (১০.৪%), কর্নাটক (৮.৬%), অন্ধ্রপ্রদেশ (৮.০%) এবং তেলঙ্গানা (৭.৬%)।

এর প্রধান কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন উচ্চ গড় আয়ু। দক্ষিণ ভারতের নারীরা সাধারণত দেশের গড়ের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন, ফলে স্বামীদের আগেই অনেকে বিধবা হয়ে যান। পাশাপাশি কর্মক্ষম বয়সে পুরুষদের মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়াও একটি বড় কারণ।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জনসংখ্যার বার্ধক্য। দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অনুপাত বেশি, ফলে একা বসবাসকারী বা সঙ্গীহীন নারীর সংখ্যাও স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। কেরলয় প্রবীণ নারীর হার প্রায় ১৫.৮ শতাংশ, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চগুলোর একটি।

এছাড়া দেরিতে বিয়ে করার প্রবণতাও এই ব্যবধান বাড়ায়। কেরল, তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকে নারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি বয়সে বিয়ে করেন, ফলে জীবনের একটি বড় অংশ তাঁরা সঙ্গী ছাড়া কাটান।

অন্যদিকে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিহার, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরে স্বামী ছাড়া বসবাসকারী নারীর হার মাত্র ২.৪% থেকে ৩.১%। বিহারে এই হার আরও কম, প্রায় ২%। এখানে তুলনামূলকভাবে কম গড় আয়ু, কম প্রবীণ জনসংখ্যা এবং অল্প বয়সে বিয়ের প্রবণতা এই পার্থক্যের মূল কারণ।

পরিসংখ্যান বলছে, যেসব রাজ্যে প্রবীণ জনসংখ্যা বেশি, নারীদের আয়ু বেশি এবং পুরুষদের মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি, সেখানেই স্বামী ছাড়া বসবাসকারী নারীর হার বেশি দেখা যায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement