গরমেও ঠান্ডা থাকবে ঘরজুনের এই তীব্র গরমে, যখন বাইরের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে, তখন আমাদের বাড়িগুলো চুল্লির মতো গরম হয়ে উঠেছে। এমনকি সিলিং ফ্যানও উপর থেকে গরম বাতাস হাওয়া অতিস্ট করে তুলছে। যার ফলে ঘরে বসে থাকাও কঠিন হয়ে পড়ে। দিনে ২৪ ঘণ্টা এসি চালানো সাশ্রয়ী শুধু নয়, স্বাস্থ্যকরও।
কিন্তু আপনি কি জানেন যে কিছু সহজ ও ঘরোয়া কৌশল অবলম্বন করে আপনি আপনার বাড়ির তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রিতে নামিয়ে আনতে পারেন? হ্যাঁ, এসি ছাড়াও আপনার সাধারণ ফ্যানও শীতল ও আরামদায়ক হাওয়া দিতে পারে। চলুন এই কার্যকরী ও সাশ্রয়ী পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
এসি ছাড়া ঘর ঠান্ডা রাখার স্মার্ট উপায়:এই তীব্র গরমে যদি আপনি এসি ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে আপনার ঘর ঠান্ডা রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই এই কৌশলগুলো অনুসরণ করুন।
বায়ুচলাচল ব্যবহার করুন: বিকেলে, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত, সমস্ত জানালাও দরজা পুরোপুরি বন্ধ রাখুন এবং ভারী পর্দা টেনে দিন যাতে তাপ ও গরম হাওয়া যাতে ঢুকতে না পারে। সূর্যাস্তের পর জানালাগুলো খুলে দিন যাতে আড়াআড়ি বায়ুচলাচলের মাধ্যমে ঘরের ভেতর থেকে গরম বাতাস বেরিয়ে যেতে পারে।
ফ্যানের নিচে বরফের বাটি রাখুন: আপনার টেবিল ফ্যান বা সিলিং ফ্যানের বাতাসের ঠিক নিচে একটি বড় বরফের বাটি রাখুন। ফ্যানের বাতাস যখন বরফের উপর পড়বে, তখন তা পুরো ঘরে ঠান্ডাও আর্দ্র বাতাস ছড়িয়ে দেবে। এই কৌশলটি কয়েক মিনিটের মধ্যেইঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে পারে।
পর্দা বা ভেজা চাদরের কৌশল: আপনার জানালায় পপি ফুলের পর্দা ঝুলিয়ে দিন, অথবা একটি সাদা সুতির চাদর ভিজিয়ে জানালায় ঝুলিয়ে দিন। বাইরের গরম বাতাস ভেজা চাদরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে যাবে।
ফ্যানের দিক পরীক্ষা করুন: আপনি কি জানেন যে গ্রীষ্মকালে সিলিং ফ্যানের ব্রেডগুলোঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরা উচিত? এটি বাতাসকে সরাসরি নিচের দিকে ঠেলে দেয় এবং শীতল অনুভূতি তৈরি করে।
ঘরের ভেতরের গাছপালা এবং ছাদে জল ছিটানো: স্নেক প্ল্যান্ট, অ্যালোভেরা এবং মানি প্ল্যান্টের মতো গাছঘরের ভেতরে রাখুন, যাবাতাসকে বিশুদ্ধ ও শীতল করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও, কংক্রিটের তাপ কমাতে এবং রাতে ঘর অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে বাঁচাতে সন্ধ্যায় আপনার ছাদে জল ছিটিয়ে দিন।