বর্ষার দিনে ইলিশের রাজত্ব চলছেই। যদিও বাজারে এখন ইলিশের জোগান কম, দামও বেশ চড়া। তবুও যারা বাঙালি রসনার অনুরাগী, তারা জানেন— একটা ইলিশ এনে বছরভর না-খাওয়া অভিমান ভুলিয়ে দেওয়াই যায়। বড় হোক বা ছোট, হাতের কাছে যতটুকু ইলিশই থাকুক, এই মালাইকারি তৈরি করা যেতেই পারে। আর একবার খেলে, চিংড়ির প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে যাবেন আপনি নিজেই।
উপকরণ
ইলিশ মাছ: পরিমাণমতো, নুন, হলুদ গুঁড়ো ও শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো: মাছ ম্যারিনেট করার জন্য, সরষের তেল ১/৩ কাপ, পেঁয়াজ ৩টি, রসুন কোয়া ১৫–২০টি, কাঁচালঙ্কা স্বাদ অনুযায়ী, টমেটো (বড়): ২টি, শুকনো লঙ্কা: ৪টি, কালো জিরে: ১/২ চা চামচ, চিনি: ১ চা চামচ, গুঁড়ো দুধ: ২ চামচ, নারকেল দুধ: ১ কাপ, গোটা কাঁচালঙ্কা ২টি
রান্নার পদ্ধতি
১. মাছ ম্যারিনেশন ও ফ্রাই
ইলিশ মাছ ধুয়ে নুন, হলুদ এবং অল্প শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর সরষের তেলে হালকা করে ভেজে নিন। মাছভাজা তেল আলাদা করে তুলে রাখুন— পরে তা সুগন্ধ বাড়াতে কাজে আসবে।
২. মশলা বাটা:
গ্রাইন্ডারে পেঁয়াজ, রসুন ও কাঁচালঙ্কা একসঙ্গে বেটে নিন। আরেকটি গ্রাইন্ডারে টমেটো ও শুকনো লঙ্কা বেটে আলাদা করে রাখুন।
৩. রান্না শুরু:
কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে তাতে কালো জিরে ফোড়ন দিন। তারপর পেঁয়াজ-রসুন-কাঁচালঙ্কার বাটা দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে ৩–৪ মিনিট পর টমেটো-শুকনো লঙ্কার বাটা দিয়ে দিন।
৪. কষানো ও নারকেল দুধ:
মশলা কষাতে কষাতে নুন, চিনি ও গুঁড়ো দুধ দিন। মশলা ভালোভাবে মিশে গেলে নারকেল দুধ ঢেলে দিয়ে হালকা আঁচে ১০–১২ মিনিট রান্না করুন।
৫. ইলিশের আগমন:
এরপর ভেজে রাখা ইলিশ মাছ কড়াইয়ে দিন। সঙ্গে গোটা কাঁচালঙ্কা আর ভাজা মাছের তেল ছড়িয়ে দিন। ঢেকে দিন, এবং আরও ১০ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন।