scorecardresearch
 
 

WFH-এ বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা! সুস্থ থাকার টিপস বিশেষজ্ঞের

ঘরবন্দি জীবন এবং কাজের কোনও নির্দিষ্ট সময় থাকছে না। ফলে অনেকেই সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করছেন। যার প্রভাব পড়ছে শরীরে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা প্রসেসড ফুড এবং ভাজাভুজি। খাওয়ারও নির্দিষ্ট সময় থাকছে না। এ সব মিলিয়ে অল্পবয়সিদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে অনেকগুণ। যা পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

হার্ট অ্যাটাক হার্ট অ্যাটাক
হাইলাইটস
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে, দীর্ঘ সময় কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হতে পারে।
  • সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করার কারণে ৩,৯৮,০০০ লোক স্ট্রোক এবং ৩,৪৭,০০০ লোক হৃদরোগে মারা গিয়েছিল।
  • ২০০০ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে, দীর্ঘমেয়াদী কাজ হৃদরোগের মৃত্যু ৪২% এবং ১৯% স্ট্রোক বেড়ে গিয়েছে।

বাড়িতে বসেই কাজ। ঘরবন্দি জীবন এবং কাজের কোনও নির্দিষ্ট সময় থাকছে না। ফলে অনেকেই সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করছেন। যার প্রভাব পড়ছে শরীরে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা প্রসেসড ফুড এবং ভাজাভুজি। খাওয়ারও নির্দিষ্ট সময় থাকছে না। এ সব মিলিয়ে অল্পবয়সিদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে গিয়েছে অনেকগুণ। যা পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। কী ভাবে এই এই পরিস্থিতিতে ফিট রাখবেন এবং তার সঙ্গে সুস্থও থাকবেন তা জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ রাখি চট্টোপাধ্যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে, দীর্ঘ সময় কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হতে পারে। হু এবং আইএলও অনুসারে, ২০১৬ সালে, সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করার কারণে ৩,৯৮,০০০ লোক স্ট্রোক এবং ৩,৪৭,০০০ লোক হৃদরোগে মারা গিয়েছিল। ২০০০ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে, দীর্ঘমেয়াদী কাজ হৃদরোগের মৃত্যু ৪২% এবং ১৯% স্ট্রোক বেড়ে গিয়েছে।

বেশি ঘন্টা কাজ করার কারণে যে রোগ হয় তা বেশিরভাগ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অঞ্চলগুলিতে এবং মধ্যবয়স্ক বা বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা গিয়েছে। এর সঙ্গে, মৃত্যুর হার ৭২% পুরুষদের মধ্যে দেখা গেছে। সর্বাধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে ৬০ থেকে ৭৯ এবং ৪৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সের মধ্যে যারা প্রতি সপ্তাহে ৫৫ ঘন্টা বা তার বেশি পরিশ্রম করেছেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ৫৫ বা তার বেশি ঘন্টা কাজ করা সপ্তাহে ৩৫-৪০ ঘন্টা কাজ করার তুলনায় স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫ শতাংশেরও বেশি এবং ইস্কেমিক হার্টের অসুখের ঝুঁকি ১৭% এরও বেশি বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। এই ধরনের অভ্যাস বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে কাজ সম্পর্কিত রোগ এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।

রাখি জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক সময়ে বিশ্রামই হল সুস্থ থাকার চাবিকাঠি। তার সঙ্গে প্রতি দিন এক্সারসাইজ করতে হবে। ডায়েট কী রকম হবে, কী ভাবে রুটিনকে ভাগ করবেন, সব কিছু নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দেখুন ভিডিও: