প্রতীকী ছবি নভেম্বর শুরু হতে না হতেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে এবং তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। বিশেষত ভোরের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। অনুমান অনুযায়ী, উত্তর ভারতে আগামী সপ্তাহে ঠান্ডা বাড়তে পারে। পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রাও কমতে চলেছে। ঠান্ডা আবহাওয়া স্বাস্থ্য এবং ত্বকের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
সকাল-সন্ধ্যায় প্রবাহিত ঠান্ডা হাওয়া মুখকে শুষ্ক ও প্রাণহীন করে তুলতে পারে। যার কারণে আপনার মুখে অকাল বার্ধক্যের লক্ষণও দেখা দিতে শুরু করবে। সেক্ষেত্রে শীতের মরসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার মুখের যত্ন নেওয়া শুরু করা উচিত। কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যার সাহায্যে আপনি ত্বককে টানটান ও সুন্দর রাখতে পারবেন।
ঘি: দেশি ঘি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি আপনার ত্বকের জন্য আশীর্বাদের চেয়ে কম নয়। খাঁটি দেশি ঘি স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অনেক ভিটামিনের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা ত্বককে টানটান রাখে এবং পুষ্ট করে। ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করার গুণ রয়েছে ঘিয়ের মধ্যে। শীতে ঘি খাওয়ার পাশাপাশি, ত্বকেও লাগাতে পারেন। দেশি ঘি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করলে, ত্বকের রক্ত সঞ্চালনও ভাল হয়।
দুধ: যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের জন্য কাঁচা দুধ খুবই ভাল। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট এবং প্রোটিন থাকে। এর জন্য আপনাকে শুধু কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে হবে। এছাড়াও এতে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা ত্বকের দাগ হালকা করে।
মধু: মধু শুধু খাওয়াই যায় না, ত্বকেও লাগানো যায়। মধু লাগালে শুধু মুখ উজ্জ্বল হয় না, ত্বক নরম ও চকচকে হয়। মধু লাগালে ত্বকের ক্ষত, দাগ ও ব্রণ আপনাআপনি সেরে যায়। তবে এর অর্থ এই নয় যে, আপনার মুখে খুব বেশি মধু ব্যবহার করা উচিত।