Buxa Tourist Route: মাঘে বাঘের ভয়, বক্সায় বন্ধ হল এই রাস্তা, কবে খুলবে?

বাঘের ছবি নজরে আসা মাত্রই বক্সার জঙ্গলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জঙ্গল সাফারির জন্য শিকারি রোডে যাওয়া আপাতত নিষিদ্ধ। রবিবার পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। প্রয়োজন হলে সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে বলেও বন দফতর সূত্রে খবর।

Advertisement
মাঘে বাঘের ভয়, বক্সায় বন্ধ হল এই রাস্তা, কবে খুলবে?বক্সায় রাত্রিবাসে বাধা, কবে খুলবে জট অপেক্ষায় গোটা সার্কিট

রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি ধরা পড়েছে ট্র্যাপ ক্যামেরায়। তারপর থেকেই বনকর্মীদের তৎপরতা তুঙ্গে। কোথায় যাচ্ছে বাঘ, কোন দিক দিয়ে চলাচল করছে তা নিয়ে এখন কড়া নজরদারি চলছে। বন দফতর শুক্রবার জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবিটি পুরোপুরি প্রমাণ করছে, বক্সার জঙ্গলে এখনও বাঘের উপস্থিতি রয়েছে। দু’বছর পর আবার বাঘের স্পষ্ট ছবি মিলতেই বনকর্তা ও পরিবেশবিদদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি সতর্কতাও বাড়ানো হয়েছে।

বাঘের ছবি নজরে আসা মাত্রই বক্সার জঙ্গলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জঙ্গল সাফারির জন্য শিকারি রোডে যাওয়া আপাতত নিষিদ্ধ। রবিবার পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। প্রয়োজন হলে সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে বলেও বন দফতর সূত্রে খবর।

বক্সা টাইগার রিজার্ভের উপ ক্ষেত্র অধিকর্তা (পশ্চিম) হরিকৃষ্ণনান পি.জে. শুক্রবার জানান, “বক্সায় বাঘের দেখা পাওয়া সত্যিই সান্ত্বনাদায়ক খবর। এর ফলে প্রমাণ মিলল বক্সার পরিবেশ এখনও বাঘের জন্য আদর্শ। এখন বাঘটি কোন দিকে যাচ্ছে, সেটাই সবচেয়ে বড় নজরদারির জায়গা।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৩ বছর পর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে বক্সায় প্রথম বাঘের ছবি ধরা পড়ে। এরপর ২০২৩ সালে আবার ট্র্যাপ ক্যামেরায় মিলেছিল দুটি ছবি। দু’বছর বিরতির পর ফের পূর্ণবয়স্ক পুরুষ বাঘের উপস্থিতি পাওয়া গেল। সুরক্ষার স্বার্থে জঙ্গলের কোন এলাকায় ছবি ধরা পড়েছে, তা প্রকাশ করছে না বন দপ্তর। তবে কালচিনি ব্লকের পশ্চিম বিভাগে ছবি ধরা পড়েছে, এ তথ্য নিশ্চিত।

বনকর্মীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চারদিন আগে টহল দেওয়ার সময় বাঘের পায়ের ছাপ নজরে আসে। এরপর সেই দিক বদল করে বিভিন্ন স্থানে নতুন ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়। তার ফলেই বৃহস্পতিবার রাতে মিলেছে সাফল্য। শনিবারও বন দপ্তরের দল জঙ্গলের ভেতরে পায়ের ছাপ অনুসন্ধানে নেমেছিল।

গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে আরও ৯০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানোর প্রস্তুতি চলছে। পশ্চিম বিভাগের ডিএফও নবজিৎ দে জানান, “এখনও বাঘের অর্ধেক ছবি পাওয়া গেছে। পুরো ফ্রেমটি পাওয়া গেলে বাঘের বয়স, আচরণ, শরীরের প্যাটার্ন সবকিছুই আরও পরিষ্কার হবে।”

Advertisement

এই বাঘটি আদৌ বক্সারই নাকি বাইরে থেকে এসেছে, সেটা নিয়েও তদন্ত চলছে। বন দফতরের অনুমান, বাঘটি ভুটানের জঙ্গল থেকে বা অসমের রায়মনা কিংবা মানস ন্যাশনাল পার্কের দিক থেকেও আসতে পারে। তাই বাঘের গতিবিধি ট্র্যাক করতে প্রতিটি পদক্ষেপ এখন অত্যন্ত জরুরি।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement