Liquor Ban Lifted In Lakshadweep: ৪৭ বছর পর মুসলিম প্রধান লাক্ষাদ্বীপে মদ বিক্রির অনুমতি, কেন ব্যান উঠল?

Liquor Ban Lifted In Lakshadweep: মালদ্বীপের মতো আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে লক্ষদ্বীপের এই আধুনিকীকরণ অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই নতুন নিয়ম চালু হওয়ার পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে লক্ষদ্বীপকে ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ যে এক ধাক্কায় বহু গুণ বেড়ে গিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement
৪৭ বছর পর মুসলিম প্রধান লাক্ষাদ্বীপে মদ বিক্রির অনুমতি, কেন ব্যান উঠল?Liquor Ban Lifted In Lakshadweep: ৪৭ বছর পর মুসলিম প্রধান লাক্ষাদ্বীপে মদ বিক্রির অনুমতি , কেন ব্যান উঠল জানুন কারণ

Liquor Ban Lifted In Lakshadweep: ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র লক্ষদ্বীপে এবার মদ্যপানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নেওয়া হল। সোমবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এখন থেকে বৈধভাবে মদ বিক্রি এবং পানের অনুমতি দেওয়া হবে।

মূলত স্থানীয় পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটাতে এবং বিদেশি পর্যটকদের আরও বেশি সংখ্যায় আকর্ষণ করতেই এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দ্বীপপুঞ্জে দীর্ঘ বছর ধরে মদ্যপানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল যা এই প্রথম শিথিল করা হল। প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে আগামী দিনে দ্বীপে পর্যটকদের আনাগোনা অনেক বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এতদিন পর্যন্ত লক্ষদ্বীপের শুধুমাত্র বাংগারাম দ্বীপেই পর্যটকদের জন্য মদ্যপানের বিশেষ অনুমতি ছিল কারণ সেখানে কোনও স্থায়ী জনবসতি নেই। তবে নতুন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে কাভারাত্তি আগাত্তি এবং মিনিকয় দ্বীপের মতো জনবহুল এলাকাগুলিতেও অনুমোদিত বার এবং রিসর্টগুলিতে মদ পরিবেশন করা যাবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় হোটেল ও রিসর্ট ব্যবসায়ী মহল অত্যন্ত খুশি কারণ তাদের মতে এর ফলে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটকদের কাছে লক্ষদ্বীপের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে স্থানীয় জনবসতি এবং সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখে মদ বিক্রির ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়া নিয়ম ও বিধিনিষেধও জারি রাখছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রশাসনের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে। একাংশ যেমন একে অর্থনৈতিক উন্নতি ও পর্যটনের স্বার্থে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন তেমনই স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ঐতিহ্য ও সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তা সত্ত্বেও মালদ্বীপের মতো আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে লক্ষদ্বীপের এই আধুনিকীকরণ অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই নতুন নিয়ম চালু হওয়ার পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে লক্ষদ্বীপকে ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ যে এক ধাক্কায় বহু গুণ বেড়ে গিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement