শুক্র-কেতুর খারাপ সংযোগজ্যোতিষশাস্ত্রে শুক্রকে সুখ, সৌন্দর্য, ঐশ্বর্য, সম্পদ ও বিলাসিতার কারক গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে, কেতুকে একটি রহস্যময় ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টিকারী গ্রহ হিসাবে ধরা হয়। দৃক পঞ্জিকা অনুসারে, শুক্র আগামী ১ অগাস্ট পর্যন্ত সিংহ রাশিতে অবস্থান করবে এবং সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত কেতুর সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি বিশেষ যোগ তৈরি করবে। এরপর শুক্র কন্যা রাশিতে প্রবেশ করবে। সিংহ রাশিতে শুক্র ও কেতুর এই সংযোগ সমস্ত রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে কোনও না কোনোভাবে প্রভাব ফেলবে। তবে কিছু রাশির ক্ষেত্রে এই সময়টি বিশেষ সতর্কতার হতে পারে। আর্থিক ক্ষতি, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মানসিক অস্থিরতার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১ অগাস্ট পর্যন্ত কোন কোন রাশির জাতকদের সাবধানে থাকতে হবে।
বৃষ রাশি
বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র হওয়ায় কেতুর সঙ্গে শুক্রের এই সংযোগ আপনার জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। বিলাসিতা ও অতিরিক্ত খরচের দিকে ঝোঁক বাড়তে পারে। কোনও সিদ্ধান্ত না ভেবে বিনিয়োগ করলে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ১ অগাস্ট পর্যন্ত অর্থ সংক্রান্ত লেনদেনে সতর্ক থাকুন। পরিবারে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে। মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দিন।
সিংহ রাশি
এই যোগ আপনার নিজের রাশিতেই তৈরি হচ্ছে, তাই এর প্রভাব আপনার ওপর বেশি পড়তে পারে। মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা অনুভব করতে পারেন। এই সময় কোনও বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। প্রেম বা দাম্পত্য সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে, যার কারণে দূরত্ব বাড়তে পারে। কথাবার্তায় সংযম বজায় রাখুন। ত্বক ও পেট সংক্রান্ত সমস্যার দিকে খেয়াল রাখুন।
বৃশ্চিক রাশি
বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য এই সংযোগ কর্মক্ষেত্র ও কেরিয়ারের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে। অফিসে সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। আপনার কোনও কথা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে, যা আপনার ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। হঠাৎ কোনও বড় খরচের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা আর্থিক পরিকল্পনায় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
কুম্ভ রাশি
কুম্ভ রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে শুক্র-কেতুর এই সংযোগ অংশীদারিত্ব ও দাম্পত্য জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। যৌথ ব্যবসা বা পার্টনারশিপে যুক্ত থাকলে ১ অগাস্ট পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখুন। অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ হতে পারে। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরুন। অহংকার দূরে রেখে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।