প্রতীকী চিত্র।জন্মের পর সন্তানের কী নাম রাখবেন? এই নিয়ে কত কিছুই না ভাবেন বাবা-মায়েরা। বিশেষত, হিন্দু পরিবারে নামকরণ একটা প্রথার মধ্যে পড়ে। শিশুর জন্মের পর তার কী নাম রাখা হবে, এই নিয়ে রীতিমতো চুলচেরা বিশ্লেষণ চলে।
নাম দিয়ে যায় চেনা। নাম এমন একটা জিনিস, যা দিয়ে কোনও ব্যক্তিকে চেনা যায়। তাই নামে অনেক কিছুই যায় আসে। প্রত্যেকের পরিচয় বহন করে নাম। সন্তানের নাম যা খুশি রাখলেই তো হল না, তা রীতি মেনেই রাখা উচিত। বিশেষত, হিন্দুদের মধ্যে তাই শিশুর জন্মের পর নামকরণ প্রথার চল রয়েছে। সঠিক রীতি মেনে যদি নাম না রাখা হয়, তা হলে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে সন্তানের উপর।
সন্তানের নামকরণের জন্য কোন কোন দিক গুলি মাথায় রাখা উচিত, জেনে নিন...
* মনে করা হয়, কোনও মাসের ১, ২, ৩, ৫, ৬, ৭, ১০, ১১, ১২, ১৩ তারিখকে নামকরণের জন্য বাছলে তা শুভ। এতে ভাল ফল পাওয়া যায়।
* এ তো গেল তারিখের কথা। কিন্তু কোন দিনে নামকরণ করা শুভ? বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্তানের নামকরণের জন্য শুভ দিন বাছুন। অমাবস্যা, চতুর্দশীতে সন্তানের নামকরণ করবেন না। এটা অশুভ।
* সন্তানের নামকরণের দিন ঈশ্বরকে ভোগ নিবেদন করুন। পারলে পুজো করুন। দেবদবীর আশীর্বাদ কামনায় প্রার্থনা করুন।
* শিশুর ডান কানে ফিসফিস করে তার নাম উচ্চারণ করুন। তার পরে পরিবারের বড়দের নতুন নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে জানান।
* মনে করা হয়, সন্তানের জন্মের সময়ের তিথি-নক্ষত্র বিচার করে তার নাম রাখলে তা শুভ বলে মনে করা হয়। নামকরণের দিন যজ্ঞানুষ্ঠান করতে পারেন।
* সন্তানের নামকরণের দিন ব্রাহ্মণ ভোজ করালে ভাল।
* সন্তানের নামকরণের অনুষ্ঠান বাড়িতেই রীতি মেনে করতে পারেন। তা না হলে মন্দিরে গিয়েও তা কারতে পারেন।
* নামকরণ অনুষ্ঠানের সময় পুজোর ঘটে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে ভুলবেন না।
* জন্মছক বিচার করেই সন্তানের নাম রাখুন। তা না হলে সন্তানের জন্য অশুভ হতে পারে।