কেন্দ্র যোগ দৃক পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৬ জুন সূর্য ও নেপচুনের মধ্যে ৯০-ডিগ্রি কোণে অবস্থান বা সংযোগ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল জ্যোতিষীয় ঘটনা। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে এই অবস্থানকে কেন্দ্র যোগ বা স্কোয়ার অ্যাসপেক্ট যোগ বলা হয়। যখন দুটি প্রধান গ্রহ একে অপরের থেকে চতুর্থ বা দশম ঘরে অবস্থান করে, তখন তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ টানাপড়েন ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়।
সূর্য যেখানে আমাদের আত্মা, আত্মসম্মান, অহং এবং প্রাণশক্তির প্রতিনিধিত্ব করে, সেখানে নেপচুন মায়া, কল্পনা, রহস্য এবং অবচেতন মনের সঙ্গে যুক্ত। এই সমকোণী সংযোগটি কিছু রাশির জাতকদের জন্য মানসিক ও ব্যবহারিক দিক থেকে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। জেনে নিন, কোন কোন রাশির জাতক এই কেন্দ্র যোগে প্রভাবিত হবে।
মেষ/ARIES রাশিফল Rashifal (March 21-April 20)
কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে মত পার্থক্য হতে পারে। বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।
প্রতিকার: সূর্যদেবকে জল অর্পণ করুন এবং তাড়াহুড়ো করে কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না।
মিথুন/GEMINI রাশিফল Rashifal (May 21-June 21)
কেরিয়ার বা পেশা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। চলমান কাজে হঠাৎ কোনও বাধা আসতে পারে।
প্রতিকার: গুরু বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ ছাড়া কোনও বিনিয়োগ করবেন না।
কন্যা/ VIRGO রাশিফল Rashifal (Aug 24-Sep 23)
অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে টানাপড়েন সৃষ্টি হতে পারে। দাম্পত্য জীবনে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
প্রতিকার: কথাবার্তায় স্বচ্ছতা বজায় রাখুন এবং সন্দেহ প্রবণতা এড়িয়ে চলুন।
ধনু/SAGITTARIUS রাশিফল Rashifal (Nov 23-Dec 21)
পারিবারিক শান্তি ও সুখ বিঘ্নিত হতে পারে। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে বিবাদ হতে পারে।
প্রতিকার: শুক্রবার সাদা রঙের কোনও বস্তু দান করুন এবং মন শান্ত রাখুন।
এই অশুভ প্রভাব এড়ানোর উপায়
সূর্য উপাসনা
তামার পাত্রে করে সূর্যদেবকে জল অর্পণ করুন। এটি নেপচুন বা বরুণ-জনিত বিভ্রান্তি দূর করবে এবং আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে।
ধ্যান ও প্রাণায়াম
যেহেতু নেপচুন মন ও আবেগকে প্রভাবিত করে, তাই মনকে একাগ্র রাখতে নিয়মিত ধ্যান বা মেডিটেশন করুন।
লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্কতা
২৬ জুন এবং এর আশেপাশের দু-তিন দিন কোনও বড় ধরনের আর্থিক বিনিয়োগ বা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংক্রান্ত কাজ এড়িয়ে চলুন।
(Disclaimer: এখানে দেওয়া তথ্য সাধারণ অনুমান এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে। আজতক বাংলা এটি নিশ্চিত করে না।)