tulaতুলা রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দায়িত্বশীলতার ফল পেতে শুরু করবেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আপনার কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কোনও দায়িত্ব আপনার হাতে তুলে দিতে পারেন। অফিসে আপনার মতামত ও সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, ফলে আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পাবে। সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলে জটিল কাজও সহজে সম্পন্ন হবে। যারা নতুন চাকরির সন্ধানে রয়েছেন, তাঁদের জন্য শুভ সংবাদ আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নতুন যোগাযোগ, চুক্তি বা অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে লাভের পথ খুলে দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে অযথা বিতর্কে না জড়িয়ে নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকাই শ্রেয় হবে।
আর্থিক দিক থেকে দিনটি মোটামুটি স্থিতিশীল হলেও সচেতনতা জরুরি। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন। হঠাৎ কোনও পারিবারিক বা ব্যক্তিগত খরচ সামনে আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগের প্রস্তাব আসতে পারে, তবে সব দিক যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। পুরনো কোনও আর্থিক পরিকল্পনা থেকে লাভের ইঙ্গিত মিলতে পারে। যাঁরা শেয়ার বাজার বা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এগোলে উপকৃত হবেন। অপ্রয়োজনীয় বিলাসী খরচ এড়িয়ে চললে সঞ্চয় বাড়বে। ভবিষ্যতের জন্য অর্থ সংরক্ষণের পরিকল্পনা শুরু করারও উপযুক্ত সময় এটি। ঋণ বা ধার সংক্রান্ত কোনও বিষয় মেটানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।
পারিবারিক জীবনে শান্তি বজায় থাকবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক প্রশান্তি পাবেন। দাম্পত্য সম্পর্কে বোঝাপড়া বৃদ্ধি পাবে এবং সঙ্গীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেতে পারেন। অবিবাহিতদের জীবনে নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো থাকবে, তবে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।
শুভ সংখ্যা: ৩, ৬, ৯
শুভ রঙ: হালকা গোলাপি
শুভ দিক: পশ্চিম
শুভ দিন: শুক্রবার
প্রতিকার: প্রতিদিন সকালে তুলসী গাছে জল দিন এবং "ওম শ্রী শুক্রায় নমঃ" মন্ত্র জপ করুন।
জ্যোতিষী পন্ডিত অরুনেশ কুমার শর্মা তিন দশক ধরে জ্যোতিষচর্চা করছেন। বৈদিক জ্যোতিষ, সংখ্যাতত্ত্ব, বাস্তুশাস্ত্র, সমুদ্রবিদ্যার সঙ্গে যুক্ত। হস্তরেখা, হাতের লেখা এবং স্বাক্ষর অধ্যয়নে দক্ষ। যোগিনী ধ্যানকর্তা এবং কার্ড রিডার। তিনি জ্যোতিষশাস্ত্রের জাতীয়-আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়েছেন এবং সপ্তস্বরে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতিকার নিয়ে গবেষণা করেছেন। দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করেন। জাতীয় পর্যায়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও তিনি টিভির জন্য 'সিতারোঁ কি চাল' অনুষ্ঠান করেছেন।