মহাশিবরাত্রিতে সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ পবিত্র মহাশিবরাত্রি উৎসব পালিত হবে রবিবার। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, এই উৎসব ফাল্গুনের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পড়ে। শিবপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, ব্রহ্মা এবং বিষ্ণুর আধিপত্যবাদের বিরোধের সময়ে ভগবান শিব অনন্ত জ্যোতির্লিঙ্গের রূপে আবির্ভূত হয়ে তাদের অহংকারকে শান্ত করেছিলেন। এই ঐশ্বরিক ঘটনার স্মরণে মহাশিবরাত্রি পালিত হয়।
মহাশিবরাত্রির কাকতালীয় ঘটনা
পঞ্জিকা অনুসারে এই বছর মহাশিবরাত্রির চতুর্দশী তিথি ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে শুরু হবে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে শেষ হবে। জ্যোতিষীদের মতে, এই বছরের মহাশিবরাত্রি অত্যন্ত বিশেষ হবে। এর জন্য শুভ সময় সকাল ৭টা ৮ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত হবে যা সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ তৈরি করে। যা জ্যোতিষশাস্ত্রে অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই যোগের সময় গৃহীত কাজ সফল হয় এবং স্থগিত প্রকল্পগুলি গতি পায়।
এই দিনে উত্তরাষাঢ় এবং শ্রাবণ নক্ষত্রের সংযোগ ঘটবে। অন্যদিকে, ব্যতিপাত যোগ সারা দিন ধরে কার্যকর থাকবে। কুম্ভ রাশিতে সূর্য, বুধ, রাহু এবং শুক্রের অবস্থান চতুর্গ্রহী যোগ তৈরি করবে। যা এই দিনের তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে দেবে। মহাশিবরাত্রি থেকে শুরু করে কোন কোন রাশির জাতকদের ভাল সময় কাটবে আগামী দিনে?
মেষ: মেষ রাশির জাতক মহাশিবরাত্রির সময়ে তাদের কর্মজীবনে নতুন দায়িত্ব বা পদোন্নতি পেতে পারেন। আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। পুরনো অমীমাংসিত কাজগুলি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কন্যা: কন্যা রাশির জাতকদের আর্থিক অবস্থা মজবুত হবে। বিনিয়োগ বা চাকরি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ফলে লাভ হতে পারে। পরিবার থেকে সুসংবাদ হতে পারে।
মকর: মকর রাশির জাতকরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের ইচিবাচক ফলাফল দেখতে পাবেন। কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে এবং ঊর্ধ্বতনদের কাছ থেকে সহায়তা পাবেন। বিবাহের জন্য যোগ্য ব্যক্তিরা ভাল প্রস্তাব পেতে পারেন।
কুম্ভ: মহাশিবরাত্রির সময় কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়। আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন প্রকল্প সফল ভাবে শুরু হতে পারে। আধ্যাত্মিক শান্তিও অনুভব করতে পারেন।