Numerology 4: এই ৪ মূলাঙ্কের জাতকদের জন্য ওঁত পেতে ‘গুপ্ত শত্রু’, তারপরও ধরা দেয় সাফল্য

Numerology 4: চারটি সংখ্যার জাতকরাই যখন নিজেদের কর্মদক্ষতায় আকাশছোঁয়া সাফল্য পান, তখনই তাঁদের চারপাশে ঈর্ষার জাল বুনতে শুরু করে একদল প্রতিপক্ষ।

Advertisement
এই ৪ মূলাঙ্কের জাতকদের জন্য ওঁত পেতে ‘গুপ্ত শত্রু’, তারপরও ধরা দেয় সাফল্যসংখ্যাতত্ত্বের হিসেব

Numerology 4: সাফল্যের মধ্যগগনে পৌঁছনো যেমন গৌরবের, তেমনই সেই উচ্চতা অনেক সময় অজান্তেই একদল অদৃশ্য শত্রুর জন্ম দেয়। সংখ্যাতত্ত্বের প্রাচীন গণনা বলছে, সব মানুষের ক্ষেত্রে না হলেও নির্দিষ্ট কিছু মূলাঙ্কের জাতকদের জীবনে শ্রীবৃদ্ধির সমান্তরাল ভাবেই বাড়তে থাকে গোপন শত্রুর সংখ্যা। ঈর্ষার বশবর্তী হয়ে একদল মানুষ যখন সফল ব্যক্তিকে টেনে নিচে নামানোর হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তখন সেই লড়াইটা হয়ে দাঁড়ায় অত্যন্ত কঠিন। সংখ্যাতাত্ত্বিকদের মতে, ১, ৬, ৮ এবং ৯, এই চারটি মূলাঙ্কের জাতকরাই মূলত এই ধরণের গোপন বৈরিতার শিকার হন বেশি।

সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে যাঁদের জন্ম মাসের ১, ১০, ১৯ বা ২৮ তারিখে, তাঁদের মূলাঙ্ক ১। একইভাবে ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের মূলাঙ্ক ৬; ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখের জাতকদের মূলাঙ্ক ৮ এবং ৯, ১৮ বা ২৭ তারিখে যাঁরা ভূমিষ্ঠ হয়েছেন, তাঁদের মূলাঙ্ক ৯। এই চারটি সংখ্যার জাতকরাই যখন নিজেদের কর্মদক্ষতায় আকাশছোঁয়া সাফল্য পান, তখনই তাঁদের চারপাশে ঈর্ষার জাল বুনতে শুরু করে একদল প্রতিপক্ষ।

কেন এই নির্দিষ্ট মূলাঙ্কের জাতকরাই শত্রুর লক্ষ্যবস্তু হন? উত্তরটা লুকিয়ে আছে তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই। মূলাঙ্ক ১-এর জাতকরা আজন্ম নেতা, তাঁদের অপ্রতিভ নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা অনেক সময় অন্যদের হীনম্মন্যতায় ভোগায়। মূলাঙ্ক ৬-এর মানুষদের আর্থিক সমৃদ্ধি ও জীবনযাপনের জেল্লা দেখে অনেকেই ঈর্ষান্বিত হন। আবার মূলাঙ্ক ৮-এর মানুষের কঠোর পরিশ্রম ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং ৯-এর জাতকদের সাহস ও প্রতিষ্ঠা তাঁদেরকে বাকিদের থেকে আলাদা করে দেয়। এই বিশেষ গুণাবলিই আসলে তাঁদের সাফল্যের গ্রাফ যত বাড়ায়, বিরোধিতার পারদও ততটাই চড়ে।

এই গোপন শত্রুরা সাধারণত সামনে এসে লড়াই করার সাহস পায় না। তারা অন্ধকারের আড়ালে থেকে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করে বা অপপ্রচার চালায়, যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাজের অগ্রগতি থমকে যায়। অনেক সময় অত্যন্ত কাছের বা বিশ্বাসভাজন সেজেই তারা পেছন থেকে ছুরি মারে। যার ফলে সাফল্যের দৌড়ে থাকা মানুষটি মানসিক ও পেশাগত ভাবে বিপন্ন বোধ করেন।

Advertisement

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব। গোপন শত্রুর কুপ্রভাব কাটাতে নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করা বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। তবে আধ্যাত্মিক উপায়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। সংখ্যাতাত্ত্বিকদের পরামর্শ, কর্মক্ষেত্রে নিজের পরিকল্পনা বা গোপন কৌশলের কথা কাজ শেষ হওয়ার আগে কারও কাছে ফাঁস করা উচিত নয়। চট করে কাউকে বিশ্বাস করা বা অতি-প্রচার অনেক সময় হিতে বিপরীত হতে পারে।

পরিশেষে, আকাশ ছুঁতে গেলে ঝড় সইবার ক্ষমতা রাখতেই হবে। সংখ্যাতত্ত্বের এই সতর্কবার্তা ভয় পাওয়ার জন্য নয়, বরং সাফল্যের পথে চলার সময় চারপাশের চাটুকার ও ছদ্মবেশী শত্রুদের চিনতে পারার এক আগাম দিশারি মাত্র।

 

POST A COMMENT
Advertisement